kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

মুখোমুখি প্রতিদিন

আমার লক্ষ্য সেরা চারে আসা

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমার লক্ষ্য সেরা চারে আসা

আইসিসির ২০১৮ সালের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছিলেন বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেটার রুমানা আহমেদ। সেই কৃতিত্বের স্মারক হিসেবে কাল আইসিসির বর্ষসেরা দলের অফিশিয়াল ক্যাপ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে রুমানার কাছে। গৌরবের টুপিটা মাথায় দেওয়ার আনন্দ ভাগাভাগি করলেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আইসিসির বর্ষসেরা মহিলা টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পাওয়ার খবরটা জেনেছিলেন আগেই, কাল পেলেন অফিশিয়াল ক্যাপ। অনুভূতিটা কেমন?

রুমানা আহমেদ : খুবই ভালো লাগছে। ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এ বছরটা এখনো আমাদের কোনো খেলা নেই, তাই একটু হতাশায় কাটছিল। এর ভেতরেই এই প্রাপ্তিটা এসেছে আনন্দের বার্তা নিয়ে।

প্রশ্ন : গত বছর এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে জয়েই তো আপনার দারুণ কৃতিত্ব। সেসবই কি আপনাকে আইসিসির একাদশে জায়গা করে দিয়েছে?

রুমানা : ভারতের বিপক্ষে জয়, এশিয়া কাপ জয়—এই ব্যাপারগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেই সঙ্গে মেয়েদের বিশ্ব টি-টোয়েন্টির বাছাই পর্বেও ভালো পারফরম্যান্স ছিল আমার। মূলপর্বেও নিয়েছিলাম ৪ উইকেট। সব মিলিয়ে বছরজুড়ে ভালো পারফরম করার পুরস্কারই পেয়েছি আমি।

প্রশ্ন : বিগ ব্যাশে খেলা, বর্ষসেরা দলে জায়গা পাওয়া। এখন কি বলা যায় সালমা-জাহানারাদের ছাপিয়ে আপনিই বিশ্বমঞ্চে হয়ে উঠছেন বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেটের মুখ?

রুমানা : আসলে সব সময়ই আমার লক্ষ্য ওপরের দিকে। আমি বড় দলগুলোতেও দেখেছি, একজন-দুজন খেলোয়াড় থাকে যারা দলের হার-জিতে বড় নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়ায়। আমিও চেষ্টা করছি দলের জন্য ব্যাটে-বলে যে ভূমিকাতে সম্ভব কিছু একটা করার। এখন আমি মেয়েদের টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের ১১ নম্বরে আছি, আমার লক্ষ্য সেরা চারে আসা।

প্রশ্ন : কিছুদিন আগে মেয়েদের জাতীয় ওয়ানডে প্রতিযোগিতায় খেলেছেন, আপনি সেরা খেলোয়াড়ও হয়েছেন। এখনো কি মেয়েদের আসরে আগের মতো বৈষম্য রয়েই গেছে?

রুমানা : ওসব নিয়ে আর ভাবছি না। আমরা আসলে হতাশ অন্য কারণে। ২০১৯ সালের তিনটি মাস চলে যাচ্ছে, এখনো আমরা কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারলাম না। অন্য সব দলই মাঠে নেমেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা