kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

টানা দ্বিতীয় হারেও প্রাপ্তি অনেক

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টানা দ্বিতীয় হারেও প্রাপ্তি অনেক

ক্রীড়া প্রতিবেদক : লড়াই করে হার বা প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দিয়ে হার—শেষ পর্যন্ত তা হারই। এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাইয়ে ফিলিস্তিনের কাছে টানা দ্বিতীয় সেই হারে মূল পর্বে ওঠার সম্ভাবনা কাল শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। তবে মূল পর্বে ওঠাটা বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল বললে পুরো সত্য বলা হবে না। ফিলিস্তিন, বাহরাইনের মতো দলগুলোর বিপক্ষে এখনো নিজেদের যাচাইয়ের লক্ষ্যে নামে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সেই বিচারে বাহরাইন ম্যাচের পর কাল ফিলিস্তিন ম্যাচে প্রাপ্তি আরো বেশি। ব্যবধান যদিও সেই ১-০, কিন্তু এদিন বাংলাদেশ শুধু ঠেকিয়ে যায়নি, সত্যি সত্যিই প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়েছে, গোলের সুযোগ তৈরি করেছে।

ম্যাচের শুরুতে স্কোয়াড দেখেই অবশ্য ধাক্কা খেতে হয়, আগের ম্যাচের হিরো গোলরক্ষক আনিসুর রহমানই কি না নেই দলে। সেখানে পাপ্পু হোসেন। এই গোলরক্ষক ম্যাচের ২৩ মিনিটে ফিলিস্তিন মিডফিল্ডার আব্দুল্লাহর নেওয়া প্রায় ৩০ গজি শটটা বুঝতেই পারলেন না, তিনি লাইনে যাওয়ার আগেই বল দূরের পোস্ট দিয়ে জালে। তবে আনিসুরের না থাকাটা এই গোলে যতটা ভোগাবে মনে হচ্ছিল শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। অতিরিক্ত সময়ের একটা শট ছাড়া ফিলিস্তিন পরের পুরো সময়ে সেই অর্থে পাপ্পুকে আর পরীক্ষাই নিতে পারেনি। বাংলাদেশের পাঁচজনের ব্যাকলাইন এদিন দুর্গ হয়েছিল। টুটুল, রিয়াদ, বিশ্বনাথদের হারিয়ে তেমন আর সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা। বাংলাদেশ বরং দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে, দুই উইং ব্যাক সক্রিয় হয়ে উঠলে প্রতিপক্ষের ডিফেন্সকে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে এদিন গোল মিলতেই পারত। কিন্তু হয়নি। যে মাহবুবুর রহমানের হেডে রবিউল ইসলামের সাইডভলি যায় পোস্টের বাইরে, রবিউলের ক্রসে রিয়াদুল হাসানের ডাইভিং হেডও লক্ষ্যভ্রষ্ট। সবচেয়ে সেরা সুযোগটা এসেছিল ৭০ মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাকে সুশান্ত বড়ুয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে মতিন মিয়া গোলরক্ষককেও কাটিয়ে বল পোস্টে ঠেলেছিলেন। তবে গোলরক্ষককে কাটাতেই পোস্ট থেকে বেশ খানিকটা দূরেও সরে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে বাঁ পায়ে বল ঠেললেও তা পোস্টে ঢোকার আগেই এক ডিফেন্ডার এসে ক্লিয়ার করেন। বাহরাইন ম্যাচে শেষ পর্যন্ত চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় বাংলাদেশ গোল ব্যবধান বাড়তে দেয়নি। এদিন ইসা টাউনের খলিফা স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে আসা প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকদের খেলোয়াড়রা রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা উপহার দিয়েছেন সমতা ফেরানোর চেষ্টায়।

অতিরিক্ত সময়ে পাপ্পু হোসেনও তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষায় পাস করে গেছেন। বক্সের ভেতর থেকে ফিলিস্তিন নাম্বার নাইনের কোনাকুনি শট ফিরিয়েছেন দারুণ দক্ষতায়। ম্যাচ শেষে কোচ জানিয়েছেন ওয়ার্ম আপে পায়ে ব্যথা অনুভূত হওয়াতেই শেষ পর্যন্ত খেলতে পারেননি আনিসুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা