kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

ক্রাইস্টচার্চে শান্তির ডাক

২৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রাইস্টচার্চে শান্তির ডাক

ক্যান্টারবুরির হয়ে খেলার সময় এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়তেন নিউজিল্যান্ড রাগবি ইউনিয়নের কিংবদন্তি সনি বিল উইলিয়ামস। ২০১১ ও ২০১৫ বিশ্বকাপ জেতা এই তারকা গতকালও নামাজ পড়লেন আল নূর মসজিদে। গত সপ্তাহে নিহত ৫০ জনের মধ্যে ছিলেন তাঁর এক বন্ধু। নামাজ শেষে শান্তির ডাকই দিলেন তিনি, ‘মানুষ আসলেই জানে না ইসলাম কী? আমি বুঝতে পেরেছি এই জ্ঞানের আলো পাওয়ার পর, যা ইসলামকে বুঝতে সবারই জানা দরকার। এই ধর্ম সত্যিই শান্তি ও ভালোবাসার।’

এক সপ্তাহ আগে ক্রাইস্টচার্চ ভেসেছিল রক্তে। দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন ৫০ জন। এক সপ্তাহ পর গতকাল সেই ক্রাইস্টচার্চে বুলেট-জর্জরিত আল নূর মসজিদের বাইরে হ্যাগলি ওভালের পার্কে জড়ো হয়েছিল হাজারো মানুষ। ছিলেন স্বয়ং নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীও। সবার বিষাদভরা চোখে সহমর্মিতা ও ভালোবাসা। ক্যান্টারবুরির হয়ে খেলার সময় এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়তেন নিউজিল্যান্ড রাগবি ইউনিয়নের কিংবদন্তি সনি বিল উইলিয়ামস। ২০১১ ও ২০১৫ বিশ্বকাপ জেতা এই তারকা গতকালও নামাজ পড়লেন আল নূর মসজিদে। গত সপ্তাহে নিহত ৫০ জনের মধ্যে ছিলেন তাঁর এক বন্ধু। নামাজ শেষে শান্তির ডাকই দিলেন তিনি, ‘মানুষ আসলেই জানে না ইসলাম কী? আমি বুঝতে পেরেছি এই জ্ঞানের আলো পাওয়ার পর, যা ইসলামকে বুঝতে সবারই জানা দরকার। এই ধর্ম সত্যিই শান্তি ও ভালোবাসার।’

সনি বিল উইলিয়ামস ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হন ২০০৯ সালে। তখন তিনি খেলতেন ফ্রান্সের তোলুসের হয়ে। রাগবির পাশাপাশি বক্সিংয়েও বেশ নামডাক তাঁর। পেশাদার ক্যারিয়ারে সাত ম্যাচে জিতেছেন সবগুলো। ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে গত সপ্তাহে হামলার পর থেকে স্বধর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সনি বিল উইলিয়ামস। আক্রান্ত মানুষগুলোর পরিবারের সাহায্যের জন্য এ পর্যন্ত সংগ্রহ করেছেন দুই লাখ ডলার। গতকাল সেই মসজিদে নামাজ পড়ার পর আবেগী হয়ে পড়েন উইলিয়ামস, ‘আমি একজন মুসলিম, আমি একজন নিউজিল্যান্ডারও। সবার প্রতি ভালোবাসা দেখাতে এসেছি এখানে। আমি কিছুটা লাজুক, তাই বলে এখন মুখ বন্ধ করে থাকার সময় নয়। আমরা মুসলিম সেটা বোঝাতেই কিছু একটা করতে হবে। দেশের জনগণ এই বিপদের সময় দেখিয়েছে তাঁরা যত্নশীল আমাদের প্রতি।’

গত সপ্তাহে দেরিতে সংবাদ সম্মেলন শেষ না হলে আল নূর মসজিদে থাকতে পারতেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও। ভয়াবহ সেই হামলা থেকে সৌভাগ্যে বেঁচে যাওয়া ক্রিকেটাররা ফিরে এসেছেন দেশে। এতে বিব্রত নিউজিল্যান্ডের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। অকল্যান্ডে ‘নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ডস ইভিনিং’য়ে নিউজিল্যান্ডের ক্রীড়ামন্ত্রী গ্র্যান্ট রবার্টসন আবারও নিউজিল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের, ‘আমি আশা করছি সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ দল ও তাদের সমর্থকরা নিউজিল্যান্ডে ফিরতে নিরাপদ বোধ করবে। তারা জানে, আমরা তাদের হাত বাড়িয়ে স্বাগত জানাব। আমাদের দুই দেশের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক সেটা কোনো ব্যক্তির হিংসা আর ঘৃণায় ধ্বংস হতে দেওয়া যায় না।’ নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা