kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

মুখোমুখি প্রতিদিন

ঘরের মাঠে আমরা চাপ নিয়ে ফেলি

২০ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘরের মাঠে আমরা চাপ নিয়ে ফেলি

ভারতে প্রথম পেশাদার টুর্নামেন্ট জিতে ফিরেছেন জামাল হোসেন। কলকাতায় গত ১২ থেকে ১৫ মার্চ হওয়া বেঙ্গল ওপেন জেতেন তিনি। ভারতের অন্যতম শীর্ষ গলফারদের হারিয়ে পিজিটিআইয়ের এ টুর্নামেন্ট জেতা নিয়েই কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন এই গলফার।

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ভারতে প্রথম পেশাদার টুর্নামেন্ট জিতলেন, অনুভূতি কী?

জামাল হোসেন : অনেক ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন চেষ্টার পর এ সাফল্য পেলাম। এ টুর্নামেন্ট জয়ে সামনের যেকোনো টুর্নামেন্ট খেলতে এখন আমার আত্মবিশ্বাস আরো বেশি থাকবে।

প্রশ্ন : ভারতীয় পেশাদার সার্কিটে খেলছেন তো প্রায় সাত বছর, এত দিন পর সাফল্যের সূত্রটা মেলালেন কী করে?

জামাল : সূত্র আসলে তেমন কিছু নয়। একটা টুর্নামেন্টে ভালো করতে হলে গুরুত্বপূর্ণ হলো খেলার মধ্যে থাকা, ভালো খেলার মধ্যে থাকা। গত কয়েকটি টুর্নামেন্টেই আমি বেশ ভালো করছি। কলকাতায় সেই ফর্মটাই কাজে দিয়েছে।

প্রশ্ন : এর আগে বেশ কয়েকবার খুব কাছাকাছি গিয়েও তো শিরোপা জেতা হয়নি।

জামাল : হ্যাঁ, প্লে-অফে হেরেছি। রানার-আপ হয়েছি বেশ কয়েকটা টুর্নামেন্টে। এর পরও আমি হাল ছাড়িনি। অবশেষে লেগে থাকার ফল পেলাম। এই টুর্নামেন্টেও প্রথম দুই রাউন্ডে আমার পাটিং তেমন ভালো হয়নি; কিন্তু সেখান থেকে পরের দুই রাউন্ডে আমি ভালো করেছি। রানার গ্রুপ আমার স্পন্সর, তাদের উৎসাহেও খেলাটায় ভালো করতে পারছি আমি।

প্রশ্ন : ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে আপনারা একেবারেই ভালো করছেন না, এটা কেন?

জামাল : ঘরের মাঠে আমরা আসলে চাপ নিয়ে ফেলি। সব দিক থেকে প্রত্যাশাটা বেশি থাকে তো। একটা রাউন্ড খারাপ হলেই নানা হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে যায় মনের মধ্যে। নিয়মিত টুর্নামেন্টের মধ্যে থাকলে অবশ্য এই চাপটা কাটিয়ে ওঠা যায়।

প্রশ্ন : সামনে তো এশিয়ান ট্যুর, এবার কতটা আশাবাদী?

জামাল : ঢাকায় এশিয়ান ট্যুরে খেলার আগে অবশ্য আমি ভারতে এশিয়ান ট্যুর খেলতে যাচ্ছি, ইন্ডিয়ান ওপেনে। দিল্লির এই টুর্নামেন্টে সিদ্দিকও খেলবেন। সেখান থেকে ১ তারিখে ফিরে মন দেব ঢাকার এশিয়ান ট্যুরে। আশা করি ফর্মে থেকেই এই টুর্নামেন্টটা খেলব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা