kalerkantho

মানের পায়ে ক্লপের জয়

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানের পায়ে ক্লপের জয়

বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে পুরনো অনেক হিসাবই ছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে হারের তেতো স্বাদ তো প্রথমবার বাভারিয়ানদের জন্যই চাখতে হয়েছে ক্লপকে। ছিলেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের কোচ। প্রায় প্রতি মৌসুমেই দলের সেরা ফুটবলারকে হারাতেন ক্লপ, কারণ মোটা টাকায় তাঁকে যে নিয়ে যেত বায়ার্ন! লিভারপুলে যোগদানের পর সেই সমস্যা আর নেই, কিন্তু বায়ার্ন নিয়ে পুরনো ক্ষতটা ফের সামনে চলে আসে চ্যাম্পিয়নস লিগের নক আউট পর্বে ফের মুখোমুখি হয়ে যাওয়াতে। প্রথম লেগটা গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর বায়ার্নের মাঠই যখন চূড়ান্ত রণক্ষেত্র, সেখানে ক্লপকে জেতালেন সাদিও মানে। সেনেগালের এই উইঙ্গারের জোড়া গোলেই আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা জয় করল লিভারপুল।

ম্যাচের ২৬ মিনিটেই মানের পায়ে মূল্যবান অ্যাওয়ে গোলটা পেয়ে যায় ‘অলরেড’রা। ভার্জিল ফন ডাইক অনেক পেছন থেকে উঁচু করে বাড়িয়েছিলেন বলটা। ধাবমান মানে বলটাকে মাটিতে নামাতে নামাতে ইয়োহান ক্রুইফের মতো পাক খেলেন, ছিটকে ফেললেন মার্কারকে। আগুয়ান মানুয়েল নয়ারকে পাশ কাটিয়ে ফাঁকা পোস্টে ঠেলে দিলেন বল। সেই আনন্দটা অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি লিভারপুলের, সেটা নিজেদের দোষেই। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে মাতিপের আত্মঘাতী গোল আবারও লিভারপুলকে ঠেলে দেয় অনিশ্চয়তায়। দ্বিতীয়ার্ধে, ম্যাচের ৬৯ মিনিটে সমতা ভাঙেন ফন ডাইক আর ৮৪ মিনিটে মানের দ্বিতীয় গোলটা নিশ্চিত করে দেয় নিজ মাঠেই চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বায়ার্নের বিদায়।

এমন জয়ের পর ক্লপ তাই স্বস্তি নিয়েই বলছেন, ‘আমরা সবাই জানি এই ক্লাবের (লিভারপুল) অবস্থান কোথায় আর আমরা যে সেখানেই আছি তা খানিকটা প্রমাণ করা গেছে। আমি ফল আর শেষ আটে উঠতে পারা নিয়ে সত্যিই খুশি। প্রথমার্ধে আমরা দারুণ একটা গোল পেয়েছি বটে, তবে চমৎকার খেলেছি দ্বিতীয়ার্ধটা।’ স্কাই

মন্তব্য