kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

চীনের কাছে ৩ গোল হজম

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চীনের কাছে ৩ গোল হজম

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আগের দুই ম্যাচেই এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের মূল পর্ব নিশ্চিত করা বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য কাল চীন-ম্যাচটি ছিল অভিজ্ঞতা অর্জনের। চীন যেহেতু মূল পর্বেও আছে, সেই আসরের প্রস্তুতির জন্যও এ ম্যাচটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ৩-০ গোলের হারে বাংলাদেশ নিজেদের শক্তিমত্তা সম্বন্ধে সেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটিই পেয়েছে কাল।

চীনা মেয়েদের সংঘবদ্ধ আক্রমণে খেই হারিয়েছে লাল-সবুজের রক্ষণভাগ। প্রথমার্ধে ১-০তে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরো ২ গোল হজম করে ম্যাচ থেকে একরকম ছিটকেই যায় গোলাম রব্বানীর দল। চীনাদের বাকি সময়ে আর ব্যবধান বাড়াতে না দেওয়াটাই ইতিবাচক দিক। এই সময়টাতেই প্রত্যয়ী দেখা গেছে আঁখি, শামসুন্নাহারদের। তেমনি বুক চেতানো পারফরম্যান্সে আগের ম্যাচে স্বাগতিক মিয়ানমারকে ১-০ গোলে হারিয়ে মূল পর্ব নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়াতেই সেই পথটা খুলে গিয়েছিল। শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে শেষ ম্যাচের জন্য এরপর আর অপেক্ষায় থাকেনি বাংলাদেশ। গতকালের জয়ে এই গ্রুপ থেকে চীনই তাই চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে উঠল। বাংলাদেশ উঠল রানার্স-আপ হিসেবে।

টানা দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের এই মূল পর্বে ওঠাটাই মারিয়া-তহুরাদের সবচেয়ে বড় কীর্তি। মিয়ানমার থেকে কিশোরীরা দেশে ফিরছে সেই সাফল্যের পতাকা হাতেই, সঙ্গে চীন ম্যাচের অভিজ্ঞতায় তাঁদের পা নিশ্চিত মাটিতেই থাকছে। যা মূল চ্যাম্পিয়নশিপের আগে নিজেদের আরো বেশি তৈরি করতেও তাগিদ দেবে মারিয়াদের। কাল ম্যাচ শেষে কোচ গোলাম রব্বানীও মেয়েদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করার পাশাপাশি ভুলগুলোও চিহ্নিত করেছেন, ‘চীনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ীই খেলতে পেরেছি বেশি সময়। কিন্তু সামান্য ভুলেই গোল তিনটি হজম করেছি।’ বড় দলের বিপক্ষে সামান্য ভুলও যে বড় বিপদ, সেই শিক্ষাটাই তাহলে নিয়ে ফিরছে বাংলাদেশের কিশোরীরা। আগামী সেপ্টেম্বরে থাইল্যান্ডে মূল পর্বের আগে নিজেদের আরো নিখুঁত করাটাই তাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা