kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

মুখোমুখি প্রতিদিন

আমার জন্য এ ইনিংস খুবই দরকার ছিল

২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমার জন্য এ ইনিংস খুবই দরকার ছিল

তিনি যখন ক্রিজে যান, শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের জয়ের সম্ভাবনা তখন বেশ কম। ১৮২ রান তাড়া করতে নেমে ৬৫ রানেই যে হারিয়ে ফেলে পাঁচ উইকেট। সেখান থেকে জিয়াউর রহমানের ২৯ বলে অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংসে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবকে ঠিকই হারিয়ে দেয় তারা। উঠে যায় প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টির ফাইনালে। ম্যাচ শেষে নিজের ব্যাটিং নিয়ে সন্তুষ্টিই ঝরে জিয়াউরের কণ্ঠে

প্রশ্ন : আপনি ব্যাটিংয়ে নামার সময় ম্যাচ জেতা কতটা কঠিন ছিল?

জিয়াউর রহমান : এত রান তাড়া করে জেতা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে উইকেট ভালো ছিল। সে কারণে বিশ্বাস ছিল, যদি শেষ পর্যন্ত খেলতে পারি, তাহলে ম্যাচটি আমাদের হাতে থাকবে।

প্রশ্ন : অনেক দিন পর আপনার মারকুটে ব্যাটিং দেখা গেল...

জিয়াউর : আমার জন্য এ ইনিংস খুবই দরকার ছিল। টি-টোয়েন্টিতে আমি ব্যাটিংয়ের তেমন সুযোগ পাই না। আজ যেমন ১০ ওভার পেয়েছি, অন্য সময় তা পাই না। দুই-তিন ওভার পাই হয়তো। তখন আমার জন্য ব্যাটিং করা কঠিন। আজ সব মিলিয়ে তা আমার অনুকূলে ছিল।

প্রশ্ন : মাঝে যে ভালো করতে পারছিলেন না, কারণটা কী?

জিয়াউর : আমি কিন্তু এনসিএল, বিসিএল সব জায়গায় রান করেছি। শর্ট ফরম্যাটে সুযোগ পাচ্ছিলাম না। এবারের বিপিএলেও তেমন সুযোগ পাইনি। সুযোগ পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমাদের টিম ম্যানেজমেন্ট-ক্রিকেটার সবাই বিশ্বাস করেছে, জিয়া ভাই আপনি পারবেন, আমরা জিতব এই ম্যাচ। এই যে একটা আত্মবিশ্বাস, বিশ্বাস, এতেই কিন্তু খেলা বদলে যায়।

প্রশ্ন : আপনার ব্যাটিংয়ে ধরন তো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের উপযুক্ত। এখানে ভালো না করাটা কি নিজেকেই অবাক করে না?

জিয়াউর : এখানে ভালো করার কথা, কিন্তু কতটা সুযোগ পাই তা দেখতে হবে। শেষ দুই ওভারে আমি বড় কিছু করব—এটা সম্ভব না। আমি তো মানুষ, আমাকে উইকেটে সেট হতে হবে। আর শেষ দিকে তো প্রতিপক্ষের সেরা বোলাররা বোলিং করে। সবাই মনে করে শেষ দুই-তিন ওভারে গিয়ে জিয়া অনেক কিছু করে ফেলবে। ওখানে হয়তো একদিন সফল হই কিন্তু দুই দিন হই না। যদি আমি ওপরে ব্যাট করার সুযোগ পাই, তাহলে অবশ্যই আরো ভালো করার চেষ্টা করব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা