kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ক্লান্তি ভর করেছে তাদের পায়ে!

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্লান্তি ভর করেছে তাদের পায়ে!

ফেব্রুয়ারি মাসটা এই বছর ২৮ দিনের হলেও বার্সেলোনা আর রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবলারদের কাছে মাসটা মনে হচ্ছে এক বছরের মতো লম্বা! কারণ টানা খেলার ক্লান্তি। একটা ম্যাচ শেষ হতে না হতেই যে নেমে পড়তে হচ্ছে আরেকটা ম্যাচে। লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং কোপা দেল রে—তিন ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এরই মধ্যে ৫টা ম্যাচ খেলে ফেলেছে রিয়াল ও বার্সেলোনা। এই মাসে বাকি আছে আরো দুটো ম্যাচ। সব মিলিয়ে ২৮ দিনের মাসে ৭টি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে দুই দলকে, অর্থাৎ গড়ে প্রতি ৪ দিনে একটি ম্যাচ। ২৭ ফেব্রুয়ারি এল ক্লাসিকোর ফিরতি লেগে মুখোমুখি হওয়ার আগে তাই ক্লান্তিই ভর করেছে দুই দলের ফুটবলারদের পায়ে।

জিরোনার বিপক্ষে সব শেষ ম্যাচটায় এগিয়ে যাওয়ার পরও রিয়াল যে ২-১ গোলে হেরে গেল, সেটার পেছনে ক্লান্তি একটা বড় কারণ হিসেবেই দেখছেন রিয়ালের কোচ সান্তিয়াগো সোলারি, ‘ক্লান্তিটা শুধু শারীরিকই নয়, মানসিকও। এটা আমাদের মনঃসংযোগেও প্রভাব ফেলছিল।’ রিয়ালের ফুটবলারদের টানা ম্যাচ খেলার ক্লান্তি তো পেয়ে বসেছিলই, সঙ্গে যোগ হয়েছে আমস্টারডাম ভ্রমণের ক্লান্তিও। টানা খেলাই শুধু নয়, সঙ্গে যোগ হয়েছে এল ক্লাসিকো ও মাদ্রিদ ডার্বির মতো স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচের চাপও। তাই তো সোলারি বলছেন, ‘আমরা গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়ে অনেকগুলো কঠিন ম্যাচ খেলে এসেছি। আমাদের এই ক্লান্তিটা মুছে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। কারণ দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের প্রাণশক্তি কমে যাচ্ছে।’ জিরোনার সঙ্গে হারই যে সোলারির এই কথার বড় প্রমাণ।

রবিবার লেভান্তের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তাই দোটানায় সোলারি। তারকাদের বিশ্রাম দিয়ে তাজা রাখবেন কোপা দেল রের আগে, নাকি খেলাবেন। তারকাদের ছাড়া লেভান্তের কাছে হেরে পয়েন্ট খোয়ালেও যে বিপদ। সোলারি বলছেন, ‘যতক্ষণ তিনটা আসরেই আমাদের জেতার আশা আছে, আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’ লিওঁর মাঠে গোলশূন্য ড্র করে আসা বার্সেলোনাও খুব যে এগিয়ে, তা নয়। নিজেদের মাঠে এল ক্লাসিকোতে রিয়ালের সঙ্গে ড্র করার পর ৩ ম্যাচে, ২৭০ মিনিট খেলে মাত্র ১টা গোল বার্সেলোনার। সেটাও পেনাল্টি থেকে। ক্লান্তি যে বার্সার খেলোয়াড়দের শরীরে চেপে বসেছে, তার একটা বড় প্রমাণ এই পরিসংখ্যান। আজ বার্সা খেলবে সেভিয়ার বিপক্ষে। কোচ এর্নেস্তো ভালভের্দে অবশ্য খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না ক্লান্তির ব্যাপারটা, ‘আমরা যদি গোলের সুযোগ তৈরি করতে না পারতাম, তাহলে চিন্তার ব্যাপার হতো। ফুটবল খেলায় শেষ পর্যন্ত ফলই মুখ্য। তবে আমি নিজে বেশি চিন্তায় পড়ে যাই, যখন নিজের দলের চেয়ে প্রতিপক্ষ গোল মিস করে বেশি।’ এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা