kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

এমনটা ভাবেননি মাশরাফিও

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এমনটা ভাবেননি মাশরাফিও

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আশা ছিল ভালো পারফরম্যান্সে সিরিজ শেষ করার। কিন্তু বজায় থাকল ব্যর্থতার ধারাবাহিকতাই। ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে শেষ ওয়ানডের পর তাই হতাশা লুকানোরও উপায় ছিল না অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার। সেই সঙ্গে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টাকেও দায়ী করলেন তিনি, ‘প্রথম দুই ম্যাচে হয়নি। তার পরও আমিই শুধু নই, পুরো দলই ইতিবাচক ছিল। আমরা মনে হয় ভিন্ন কিছু করতে গিয়েছিলাম। এখানকার উইকেটে সুইং ও বাউন্স থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক। সে জন্য বেসিকে থাকাটা খুব জরুরি ছিল, যেটি আমরা থাকতে পারিনি। আগের দুই ম্যাচে যা হয়েছে, আজকের ম্যাচেও হয়েছে তা-ই। গতকাল এ রকম কিছু হওয়ার কথা চিন্তাও করিনি। ইতিবাচক তো থাকতেই হবে। কিন্তু এই ম্যাচটিও একই রকম গেল।’

বিশ্বকাপ দল ঘোষণার আগে এটিই ছিল শেষ ম্যাচ। যাতে পারফরম করে সাব্বির রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনরা নিজেদের অন্তর্ভুক্তির দাবিও জোরালো করে রেখেছেন। কিন্তু বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজের পারফরম্যান্স যথেষ্ট উদ্বেগও না ছড়িয়ে পারে না। বিশ্বকাপের আগে মে মাসে আয়ারল্যান্ডে যে ত্রিদেশীয় সিরিজ আছে, সেটি দিয়েই সমস্যার সমাধানের তাগিদও শোনা গেল মাশরাফির কণ্ঠে। ওই সিরিজে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের পাশাপাশি খেলতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গেও। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগেও সেখানে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। যেখানে তৃতীয় দল ছিল এই নিউজিল্যান্ডই। ওই আসরে তাদের হারানো বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল ভাগ্য নির্ধারণী ম্যাচেও জিতেছিল কিউইদের বিপক্ষে। এবার সেই আয়ারল্যান্ডের সিরিজটিকেই পাখির চোখ করেছেন অধিনায়ক, ‘ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে এখান থেকে। যেটা বললাম, এখনো পরবর্তী টুর্নামেন্টের আগে দুই মাস সময় আছে। আমাদের অবশ্যই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। কারণ আয়ারল্যান্ডেও একই রকম উইকেট। শেষবার ওখানে যখন খেলে এসেছি, আরো (নিউজিল্যান্ডের চেয়েও) সবুজ উইকেট ছিল। অনেক সময় কন্ডিশন পক্ষেও থাকে না। কাজেই আমাদের অবশ্যই বের করতে হবে যে আমরা কোন উপায়ে ওখানে রান করব। বেশি উইকেট কিভাবে দেব না। কারণ এসব জায়গায় ১০ ওভারের পরে ব্যাটিং করা অনেক সহজ হয়ে যায়।’

ইতিবাচক থাকতে চান বলে ব্যর্থতার এই সিরিজ থেকেও প্রাপ্তির খাতায় টুকে নিচ্ছেন কিছু ব্যাপার। তাই বলে নিজেদের ভুল শুধরে নেওয়ার ব্যাপারটিই এখন সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে, ‘আমরা মিডল অর্ডার ও লোয়ার মিডল অর্ডারে কিছু রান পেয়েছি। মিঠুন দুটি ম্যাচেই রান পেয়েছে। সাব্বির আজ সেঞ্চুরি করল। আগের ম্যাচেও ৪৩ করেছে। সাইফউদ্দিন রান করেছে। আজও ভালো বোলিং করেছে। ইতিবাচক বলতে যা আছে, তা একটু পেছনের দিকেই। তাতেও দল লাভবান হয়েছে। তবে হ্যাঁ, ম্যাচ জিততে গেলে অবশ্যই টপ অর্ডার থেকে কিছু করতে হবে। নেতিবাচক অনেক কিছুই আছে। এর মধ্যেও ইতিবাচক যা আছে বললাম। তবে যে ভুলগুলো আমরা করেছি, সেগুলো নিয়ে অবশ্যই কাজ করতে হবে।’ 

পাশাপাশি বোলিংয়ে ভালো শুরুর পরও ছন্দ হারানো নিয়ে আফসোস শোনা গেল মাশরাফির কণ্ঠে, ‘৩৫ ওভার পর্যন্ত আমরা যে অবস্থায় ছিলাম, ওই সময় আরো ভালো বোলিং করলে হয়তো ওদের তিনশোর কমে আটকে রাখার সুযোগ থাকত। চারটি উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পার্টনারশিপ হতে না দিলে হয়তো পারা যেত সেটি। কিন্তু ওরা ঝুঁকি নিয়েছে এবং সফল হয়েছে। আমরা হইনি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা