kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

কোটা পেতে ফাইনালে খেলতে হবে

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোটা পেতে ফাইনালে খেলতে হবে

অলিম্পিক মিশন শুরু হয়ে যাচ্ছে শ্যুটারদের। ভারতের নয়াদিল্লিতে আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া শ্যুটিং বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন আবদুল্লাহেল বাকী, শাকিল আহমেদরা। সেখানে অলিম্পিক কোটা অর্জনই তাঁদের মূল লক্ষ্য। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে পিস্তল শ্যুটার শাকিল কথা বলেছেন সে প্রসঙ্গেই

প্রশ্ন : অলিম্পিক কোটা পাওয়ার ব্যাপারে কতখানি আশাবাদী আপনি?

শাকিল : সেটা পেতে হলে অন্তত ফাইনালে উঠতে হবে আমাকে। অর্থাৎ সেরা আটের মধ্যে থাকতে হবে। সেই চেষ্টাই করব আমি। এটা কঠিন, তবে অসম্ভব নয়।

প্রশ্ন : টোকিও অলিম্পিকের জন্য এ আসরেই তো প্রথম কোটার সুযোগ থাকছে?

শাকিল : হ্যাঁ, সেই লক্ষ্যে ১১ জনের বড় দলই যাচ্ছে আমাদের। তবে সবার সম্ভাবনা তো সমান না। পিস্তলে আমরা যে তিনজন আছি—আমি, আব্দুর রাজ্জাক ও নূর হাসান আলী, আমাদের একটা সম্ভাবনা আছে। ওদিকে রাইফেল ইভেন্টে বাকী ভাই ফেভারিট।

প্রশ্ন : মিশ্রতে আশা কতটুকু?

শাকিল : ব্যক্তিগত ইভেন্টটাই আমার মূল। মিশ্রতে কোটার সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। ব্যক্তিগত ইভেন্টটা নিয়েই তাই ভাবছি।

প্রশ্ন : শুধু এই বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি কত দিনের?

শাকিল : আসলে লম্বা সময় ধরে আমরা ক্যাম্পে থাকছি। সেই ২০১৬- এর এসএ গেমসের সময় থেকে। এটা ধারাবাহিকভাবে চলছেই। এসএ গেমসেই প্রথম আমি আলোচনায় আসি সোনা জিতে, গত কমনওয়েলথ গেমসে তো রুপা জিতলাম। এখন মূলত অলিম্পিকটাই মূল লক্ষ্য আমার, কোটা প্লেসের জন্য সব মনোযোগ ঢেলে দিচ্ছি।

প্রশ্ন : যে কোচের অধীন কমনওয়েলথে রুপা জিতেছেন সেই সোকিচ তো চলে গেছেন, তাতে কি পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব পড়েনি?

শাকিল : আমার মনে হয় না। কারণ এখন যে কোরিয়ান কোচ আছেন, তিনিও বিশ্বমানের। তাঁর কাছ থেকেও আমি অনেক কিছু শিখছি।

প্রশ্ন : বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকের মধ্যে পার্থক্য কেমন?

শাকিল : একদিক দিয়ে বিশ্বকাপটাই কঠিন। অলিম্পিকে তো নির্দিষ্টসংখ্যক, যেমন ৬০ জন শ্যুটার হয়তো অংশ নেন। কিন্তু বিশ্বকাপে ২০০, ২৫০ এমনকি ৫০০ শ্যুটার অংশ নিয়ে থাকেন। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা কঠিন হবে। আর অলিম্পিক কোটার প্রথম আসর বলে চাপও থাকবে অনেক বেশি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা