kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অপেক্ষার ১০০ দিন শুরু

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অপেক্ষার ১০০ দিন শুরু

আর মাত্র ১০০ দিন। এরপরই লন্ডনের ওভালে শুরু হয়ে যাবে বহুপ্রতীক্ষিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ। এক দিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপযাত্রা শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে, প্রথম দুটো আসর হয়েছিল ক্রিকেটের জন্মভূমিতেই। এরপর আবার বিশ্বকাপ ক্রিকেট ঘরে ফেরে ১৯৯৯ সালে। তার ঠিক দুই দশক পর, ২০১৯ সালে আবার ইংল্যান্ডে হচ্ছে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ। এই যাত্রায় সাদা জার্সি, লাল বল, ৬০ ওভারের ম্যাচ বদলে গেছে রঙিন জার্সি, লাল বল আর কৃত্রিম আলোর রোশনাইতে। এমন অনেক দেশ অংশ নিয়েছে, যাদের এখন আর অস্তিত্বই নেই। তবু একটা জিনিস হয়নি। কখনোই বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড। উপনিবেশগুলোতে এ খেলা ছড়িয়ে দিলেও তারা কখনোই পারেনি শিরোপা জিততে।

বিশ্বকাপের ১০০ দিনের ক্ষণগণনার শুরুটা আইসিসি করেছে লন্ডনের ঐতিহাসিক ট্রাফলগার স্কয়ার থেকে। ট্রাফলগারের যুদ্ধে নিহত নৌসেনাপতি অ্যাডমিরাল হোরাশিও নেলসনের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভকে ‘মিডল স্টাম্প’ বানিয়ে হাওয়াই বেলুনের এক বিশাল উইকেট বানানো হয়েছে ট্রাফলগার স্কয়ারে। সেখান থেকেই শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফির ১০০ দিনের ইংল্যান্ড পরিভ্রমণ। যুক্তরাজ্যের ১০০টা জায়গা ঘুরে ৩০ মে ট্রফি ফেরত আসবে লন্ডনে, ঠিক উদ্বোধনী ম্যাচের আগে।

বিশ্বকাপের ১০০ দিনের ক্ষণগণনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসেছিলেন ইংল্যান্ডের সরকার, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাই। এসেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক ও নাসের হোসেইন, পেস বোলার জেমস অ্যান্ডারসন, স্পিনার গ্রায়েম সোয়ান, মহিলা ক্রিকেটার ইশা গুহ, ক্রীড়ামন্ত্রী মিমস ডেভিস ও প্রথম দুই বিশ্বকাপ বিজয়ী অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড। এ উপলক্ষে আইসিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক প্রোটিয়া ক্রিকেটার স্টিভ এলওয়ার্দি জানান, ‘বিশ্বকাপ এখন হাতছোঁয়া দূরত্বে আর এই ক্ষণগণনার শুরুটা হলো লন্ডনের বিখ্যাত ট্রাফলগার স্কয়ার থেকে। এখন থেকে সমর্থকদের চোখের সামনে শুধু বিশ্বকাপই থাকবে।’ আইসিসির প্রধান নির্বাহী জানান, ‘বছরের পর বছর ধরে পরিকল্পনাগুলো একে একে বাস্তব হতে শুরু করেছে। এখন আয়োজনের যখন মাত্র ১০০ দিন বাকি, তখন উত্তেজনাটা বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। লন্ডনের বিখ্যাত একটা স্থাপনাকে ক্রিকেটের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়ে যাত্রাটা শুরু করাটা দারুণ অভিজ্ঞতা। খেলা শুরু হলে বিশ্বজুড়ে লাখো ভক্ত সেই উত্তেজনার সঙ্গে শামিল হবে।’

সামনের ১০০ দিনে ১১৫টা জায়গায় অনেকগুলো আয়োজন থাকবে ট্রফি নিয়ে। সমর্থকরা কাছ থেকে দেখতে পাবে ট্রফি। এরপরই শুরু হয়ে যাবে ব্যাট-বলের লড়াই, এই ট্রফিটাকেই জয় করার জন্য! আইসিসি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা