kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

আইপিএল নাকি ডিপিএলে সাকিব?

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আইপিএল নাকি ডিপিএলে সাকিব?

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আগের আসরের ড্রাফটে তাঁর মূল্য ধরা হয়েছিল ১৮ লাখ টাকা। এবার তুষার ইমরানের অনুরোধেই তা বাড়িয়ে ২০ লাখ করা হলেও দল পাননি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করা একমাত্র বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান। যদিও ড্রাফট শেষ হওয়ার পর কোনো কোনো ক্লাব থেকে অনেক কম টাকায় খেলার প্রস্তাবও পাচ্ছেন বলে খবর। তাঁর মতো দল পাননি সাকলায়েন সজীব এবং মেহেদী মারুফরাও।

তবে গতকাল স্থানীয় এক হোটেলে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) প্লেয়ার্স ড্রাফটের পর এঁরা নন, সবচেয়ে আলোচিত নাম ছিলেন সাকিব আল হাসানই। বিশ্বকাপ সামনে রেখে নিবিড় প্রস্তুতির স্বার্থে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম আগেই চিঠি দিয়ে অব্যাহতি চাওয়ায় ড্রাফটে নাম ছিল না তাঁদের। কিন্তু চোটের কারণে নিউজিল্যান্ড সফরে যেতে না পারা সাকিবের ক্ষেত্রে তেমন কোনো ব্যাপার না থাকলেও ড্রাফটে নাম ছিল না এই অলরাউন্ডারেরও। ৮ মার্চ থেকে লিগের ওয়ানডে পর্ব শুরু হবে। আবার ২৩ মার্চ থেকে শুরু ভারতের আইপিএলও। সাকিব কোথায় খেলবেন? এই প্রশ্ন তাই উঠলই। যদিও ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশের (সিসিডিএম) প্রধান কাজী ইনাম আহমেদ বিষয়টি এড়িয়েই যেতে চাইলেন এই বলে, ‘সুস্থ হলে পরে বিসিবি ও সাকিব আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে যে সে আইপিএল নাকি প্রিমিয়ার লিগে খেলবে। এটি সিসিডিএমের হাতে নেই।’

অবশ্য নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ফেরার পর হেড কোচ স্টিভ রোডসের পরামর্শে জাতীয় দলের সিংহভাগ ক্রিকেটারই থাকবেন বিভিন্ন মেয়াদের বিশ্রামে। তাই ক্লাবগুলো তাঁদের পাবে বেশ পরে। এই যেমন মাহমুদ উল্লাহকে নেওয়া শেখ জামাল ধানমণ্ডি তাঁর সার্ভিস পাবে ৬ এপ্রিলের পর থেকে। এদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ড্রাফটেই ঘর বেশ ভালো গুছিয়ে নিয়েছে। মাশরাফি বিন মর্তুজা, মোসাদ্দেক হোসেন ও নাজমুল হোসেনকে (শান্ত) ধরে রাখা দলটি কাল ড্রাফট থেকে নিয়েছে রুবেল হোসেন, জহুরুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিঠুন এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনসহ সাতজনকে। এর পরও ঘর গোছানোর বাকি কাজ সারার সুযোগও উন্মুক্ত তাদের জন্য। কারণ পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে অন্য ক্লাবের সঙ্গে খেলোয়াড় বদলের নিয়মেও এসেছে পরিবর্তন। গত আসরে একজন ছেড়ে দিয়ে অন্য ক্লাব থেকে দুজন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ ছিল। এবার দুজন ছেড়ে দিয়ে অন্য ক্লাব থেকে নেওয়া যাবে সর্বোচ্চ আটজন। এই নিয়ম আবাহনীর মতো ক্লাবের সুবিধার জন্যই করা হলো কি না, এমন প্রশ্নে সিসিডিএম প্রধান অবশ্য বললেন যে সব ক্লাবের সম্মতিতেই তা করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা