kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শেখ জামাল ক্রিকেট একাডেমির সেরা হওয়ার স্বপ্ন

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেখ জামাল ক্রিকেট একাডেমির সেরা হওয়ার স্বপ্ন

মিলনমেলায় : শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের ক্রিকেট একাডেমির মিলনমেলায় ক্লাবের সভাপতি সাফওয়ান সোবহান। এখানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি শেখ জামালের ফুটবলারদের সঙ্গেও দেখা করেন সাফওয়ান সোবহান। প্রিমিয়ার লিগে তাঁদের ভালো খেলার অনুপ্রেরণাও দেন তিনি। ছবি : কালের কণ্ঠ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের সভাপতি সাফওয়ান সোবহান। তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবার বিপিএল মাতানো রংপুর রাইডার্সের কর্ণধারও। সাফওয়ান সোবহান মঞ্চে উঠতেই তাই করতালিতে ভরে উঠল পুরো শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব চত্বর। ক্লাবের ক্রিকেট একাডেমির পিকনিক উপলক্ষে তৈরি হয়েছিল অস্থায়ী মঞ্চ। সেখানে সাফওয়ান সোবহান ওঠামাত্র উপস্থাপক ঘোষণা দিলেন, ‘শেখ জামাল ক্রিকেট একাডেমির জন্য বোলিং মেশিন দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল সাফওয়ান সোবহানকে। দুই-এক দিনের মধ্যে তিনি একটি বোলিং মেশিন পাঠাতে চেয়েছেন একাডেমিতে।’

কথা শেষ হতে না হতে সমুদ্রের গর্জনই উঠল যেন। পিকনিকের সেরা উপহারই এটা। এই একাডেমিকে বাংলাদেশ সেরা করার যে স্বপ্ন দেখছেন কর্মকর্তারা, বোলিং মেশিন এসে গেলে সেই পথে এগিয়ে যাওয়া হবে অনেকটা। সাফওয়ান সোবহানের হাত ধরে সেই পথে এগোতে চায় তারা। সব ধরনের সাহায্য করতে চান  সাফওয়ান সোবহানও, ‘আমি ধানমণ্ডিতেই বড় হয়ে উঠেছি। এখানকার মাঠে খেলেছি। ক্লাবের পক্ষ থেকে কমিউনিটিকে কিছু ফেরত দিতে পারছি, এ জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞ আমি। দেশ-জাতিকে কিছু উপহার দিতে পারলে সেটা হবে বিশেষ কিছু। আশা করছি এই একাডেমি এগিয়ে যাবে অনেক দূর।’ তিনি কথাগুলো বলার সময় মাথা দুলিয়ে সম্মতি জানাচ্ছিলেন বিশেষ অতিথি সাফওয়ান সোবহানের ছেলে শেহজাদ আকবর সোবহান। এই মিলনমেলায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি শেখ জামালের ফুটবলারদের সঙ্গেও দেখা করেন সাফওয়ান সোবহান। প্রিমিয়ার লিগে তাঁদের ভালো খেলার অনুপ্রেরণাও দেন তিনি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শেখ জামালের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট ও গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মনজুর কাদের চৌধুরী, সাফওয়ান সোবহানের ব্যক্তিগত সচিব মো. ফয়জুর রহমান, ক্লাব পরিচালক ইকবাল খোকন, ক্লাব কর্তা ও সাবেক ফুটবলার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু, আব্দুল গাফফারসহ অন্যরা। মনজুর কাদের চৌধুরী এই একাডেমি নিয়ে জানালেন, ‘তরুণদের মাদক থেকে বাঁচাতে পারে খেলাধুলা। এই লক্ষ্যেই গড়া হয়েছে একাডেমিটি। আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা আছে এখানে। আছেন মানসম্মত কোচিং স্টাফ। অবশ্যই দেশের অন্যতম সেরা একাডেমি হতে পারে এটা।’

দিনভর নানা আয়োজনে একাডেমির ছাত্র ও অভিভাবকরা করেছেন পিকনিক। গত বছরের ‘আউটস্ট্যান্ডিং পারফরমার’ কয়েকজন ক্রিকেটারকে দেওয়া হয় বিশেষ পুরস্কার। সে সময় উপস্থিত ছিলেন একাডেমির কোচরাও। ১৩ জন কোচের হাত ধরে এই একাডেমি দেখছে দেশসেরা হওয়ার স্বপ্ন। কোচিং স্টাফের অন্যতম সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ সেলিম, ডলার মাহমুদ ও মনিরুল ইসলাম। বাংলাদেশের হয়ে সাতটি ওয়ানডে খেলা ডলার মাহমুদ অনেক বড় স্বপ্ন দেখছেন একাডেমিটি নিয়ে, ‘এই একাডেমির ছাত্রদের নিয়ে গড়া ভিক্টোরিয়ান ক্রিকেট ক্লাব খুব ভালো খেলছে। বয়সভিত্তিক নানা দলে সুযোগ পেয়েছে এখানকার ছাত্ররা। গত বছর আমরা ভারতে দুবার আর শ্রীলঙ্কা সফর করেছি একবার। আমার মনে হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পর এত বেশি সুযোগ-সুবিধা আর কোথাও নেই। অবশ্যই দেশের সেরা হতে পারে শেখ জামাল ক্রিকেট একাডেমি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা