kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রামোসের ৬০০

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৯৯৮ সালের ২০ মে। আয়াক্সের ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনায় সপ্তম চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সের্হিয়ো রামোসের বয়স তখন ১২ বছর। বেড়ে উঠছিলেন সেভিয়ায় খেলার স্বপ্ন নিয়ে। আজ সেই ইয়োহন ক্রুইফ অ্যারেনাতেই অনন্য মাইলফলকে পা রাখতে চলেছেন রামোস। চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে সফল দলটির অধিনায়ক রিয়ালের জার্সিতে খেলবেন ৬০০তম ম্যাচ। রিয়ালের সপ্তম খেলোয়াড় হিসেবে এই মাইলফলকে পা রাখতে চলেছেন রামোস। দ্রুতই পেছনে ফেলবেন পাকো জেনতো ও ফার্নান্দো হিয়েরোর রেকর্ডও। রিয়ালের সাবেক দুই কিংবদন্তি খেলেছেন ৬০১টি করে ম্যাচ। রাউল গঞ্জালেস ৭৪১ ম্যাচ খেলে এই তালিকায় সবার চেয়ে এগিয়ে।

২০০৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে অভিষেক রামোসের। প্রথম ম্যাচেই সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে হার। অভিষেকটা দুঃস্বপ্নের হলেও দিন যত গড়িয়েছে, প্রাপ্তির খাতা ততই রঙিন হয়েছে রামোসের। জিতেছেন চার-চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, এর তিনটি আবার টানা! আজ আয়াক্সের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলবেন ১১৯তম ম্যাচ, যা জাবি আলনসোর সঙ্গে যৌথভাবে ১৩তম সর্বোচ্চ। মর্যাদার টুর্নামেন্টে রামোসের জয় ৭৩টি, জয়ের হার ৬১.৮ শতাংশ। এটা লিওনেল মেসির (৫৮.৯ শতাংশ) চেয়েও বেশি। চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বেশি ১০০ জয়ের কীর্তিটা রিয়ালেরই, ইকের ক্যাসিয়াসের। এ টুর্নামেন্টে রিয়ালের যে দাপট, তাতে রামোসও স্বপ্ন দেখতেই পারেন সাবেক সতীর্থকে ছোঁয়ার। ৩২ বছর বয়সী রামোস রিয়ালের হয়ে জিতেছেন ২০টি শিরোপা। সবচেয়ে বেশি ২৩ শিরোপা জয়ের রেকর্ডটা পাকো জেনতোর। রামোস পারবেন কি তাঁকে ছাড়িয়ে যেতে?

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ক্লাব ছাড়ার পর রিয়ালের পেনাল্টির দায়িত্বটা নিজের কাঁধে নিয়েছেন রামোস। তাতে সফল এই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। এ মৌসুমে আট পেনাল্টির সবগুলোতেই গোল করেছেন তিনি। মার্কা

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা