kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কিংবদন্তি হওয়ার পথে আগুয়েরোর আরেক ধাপ

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কিংবদন্তি হওয়ার পথে আগুয়েরোর আরেক ধাপ

তাঁর পায়ে গোলের মালা। আর অর্জনের খাতায় রেকর্ডের আঁকিবুঁকি। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড আগেই গড়েছিলেন সের্হিয়ো আগুয়েরো। এবার তিনি প্রিমিয়ার লিগে কিংবদন্তি হওয়ার পথে এগিয়ে গেলেন এক ধাপ। গত পরশু চেলসির বিপক্ষে ৬-০ গোলে জেতা ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন এই আর্জেন্টাইন। প্রিমিয়ার লিগে অ্যালান শিয়েরারের সমান যৌথ সর্বোচ্চ ১১টি হ্যাটট্রিক এখন তাঁর। আরেক কঠিন প্রতিপক্ষ আর্সেনালের বিপক্ষে আগের ম্যাচেই হ্যাটট্রিক ছিল আগুয়েরোর। প্রিমিয়ার লিগে টানা দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিকের কীর্তি মাত্র পাঁচজনের।

১১ নম্বর হ্যাটট্রিক করেই যে আগুয়েরো থেমে থাকবেন না, নিশ্চিত শিয়েরার। নিউক্যাসল কিংবদন্তি ১১ হ্যাটট্রিক করেছিলেন ৪৪১ ম্যাচে। সেখানে আগুয়েরো তাঁকে ছুঁয়েছেন ২২৯ ম্যাচে। এই আর্জেন্টাইনকে শুভ কামনা জানাতে ভোলেননি শিয়েরার, ‘আগুয়েরোর কীর্তিতে খুশি আমি। ওর মতো একজনকে পাওয়াটা সিটির জন্য সৌভাগ্যের। প্রিমিয়ার লিগে ১২, ১৩ বা ১৪তম হ্যাটট্রিক পাওয়াটা সময়ের ব্যাপার আগুয়েরোর জন্য।’ বল পায়ে এমন ছন্দের আগুয়েরোকে জাতীয় দলে দেখতে না পারাটা হতাশাই বাড়ানোর কথা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের। লিওনেল মেসির সঙ্গে ‘নতুন ম্যারাডোনা’ খ্যাতি নিয়ে শুরু করেছিলেন ক্যারিয়ার। অথচ মেসি এখন ৬৫ গোল নিয়ে আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। সেখানে আগুয়েরোর গোল ৩৯টি।

ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অবশ্য রেকর্ডের পাতাগুলো নতুন করে লিখিয়ে চলেছেন নিয়মিত। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সিটির হয়ে আগুয়েরোর গোল সর্বোচ্চ ২২২টি। তবে প্রিমিয়ার লিগে গোলের হিসাবে পিছিয়ে ছিলেন এত দিন। গতকালের হ্যাটট্রিকে প্রিমিয়ার লিগেও আগুয়েরোর গোল এখন সিটির খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৬০টি। টমি জনসন আর এরিক ব্রুক সমান ১৫৮ গোল নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন এত দিন। গোল আর অ্যাসিস্ট মিলিয়ে সিটির হয়ে আগুয়েরোর অবদান ২০০টি। একই ক্লাবের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে এমন রেকর্ড আছে শুধু ওয়েইন রুনি, রায়ান গিগস, থিয়েরি অঁরি, ফ্রাংক ল্যাম্পার্ড আর স্টিভেন জেরার্ডের।

গত পরশু চেলসির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করলেও আগুয়েরো নষ্ট করেছেন সহজ আরো দুটি সুযোগ! তাঁর একটি শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে। আরেকবার দুই গজ সামনে থেকে ফাঁকা নেট পেয়েও বল মারেন বাইরে। এ নিয়ে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় পেপ গার্দিওলা মজাও করেন তাঁর সঙ্গে। ম্যাচ শেষে গার্দিওলার সন্তুষ্টি, ‘ওকে অভিনন্দন জানিয়েছি শিয়েরারের রেকর্ড স্পর্শ করায়। তবে জানিয়ে রেখেছি ভবিষ্যতে এমন ভালো সুযোগ যেন নষ্ট না করে।’ নিজের পারফরম্যান্সে খুশি আগুয়েরোও, ‘জানি না তখন কী হয়েছিল (দুই গজ সামনে থেকে মিসের সময়)। সব মিলিয়ে আমি ভীষণ খুশি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলের জয়, আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই জয় পেয়ে এখন শীর্ষে।’ ২৭ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগে ম্যানসিটি ফিরে পেয়েছে শীর্ষস্থান। এক ম্যাচ কম খেলা লিভারপুলের পয়েন্টও ৬৫, তবে গোল গড়ে পিছিয়ে দুই নম্বরে তারা। বিবিসি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা