kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সূর্যের আলোয় বন্ধ খেলা!

২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৃষ্টি বা আলো স্বল্পতায় ক্রিকেট ম্যাচ বন্ধ হয় প্রায়ই। সামান্য তুষারপাতে দ্রুত পিচ-কভার নিয়ে নেমে পড়েন মাঠকর্মীরা। অথচ সূর্যের প্রখর আলোয় গতকাল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড-ভারতের সিরিজের প্রথম ওয়ানডে! নেপিয়ারের ম্যাকলিন পার্কে অভাবনীয় সেই কাণ্ডের পর ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৮ উইকেটের সহজ জয় বিরাট কোহলির দলের। ম্যাচের আগে রান উৎসবের আলোচনা চললেও মোহাম্মদ সামি ৩ ও কুলদীপ যাদব ৪ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে আটকে ফেলেন ১৫৭ রানে। জবাবে বিরাট কোহলি ৪৫ করে ফিরলেও শিখর ধাওয়ানের হার না মানা ৭৫-এ ৮৫ বল বাকি থাকতে সহজ জয় ভারতের।

সূর্যের আলো তীর্যকভাবে পড়ার জন্য ক্রিকেট পিচ করা হয় উত্তর-দক্ষিণমুখী। ব্যতিক্রম ম্যাকলিন পার্ক, এখানকার উইকেট পূর্ব-পশ্চিমমুখী। এ জন্য নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ম্যাচ বন্ধ হয়েছে একাধিকবার। বছর দুয়েক আগে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের একটি টি-টোয়েন্টিতেও সমস্যা হয়েছিল। তবে ওয়ানডে ইতিহাসে এবারই প্রথম ঘটল এমন কিছু। ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে সূর্যের আলোয় পিচ অস্পষ্ট হয়ে ওঠে ব্যাটসম্যানদের কাছে। বিরাট কোহলি বারবার হাত দিচ্ছিলেন চোখে। আম্পায়ার শন জর্জ ক্রিকেটারদের মাঠ ছাড়ার পরামর্শ দেন তখন। সিদ্ধান্তটা জানিয়ে নিজেই বিব্রত তিনি, ‘আমার ৪০ বছরের অভিজ্ঞতায় কখনো সূর্যের আলোর জন্য ম্যাচ বন্ধ থাকতে দেখিনি। তবে সবার নিরাপত্তা দরকার। সানস্ট্রোক হতে পারত যে কারো।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে হাস্যরস।

ম্যাচ শেষে বিরাট কোহলিও ছাড়েননি কথা বলতে, ‘২০১৪ সালে চোখে সূর্যের আলো পড়ায় আউট হয়ে গিয়েছিলাম। তখন এই আইনটা ছিল না (খেলা বন্ধ)। টস হারার পর ভেবেছিলাম এমন ব্যাটিং উইকেটে ৩০০ করবে নিউজিল্যান্ড। ওদের এত অল্প রানে বেঁধে রাখার কৃতিত্বটা আমাদের বোলারদের।’ ক্রিকইনফো

নিউজিল্যান্ড : ৩৮ ওভারে ১৫৭ (উইলিয়ামসন ৬৪, টেলর ২৪, স্যান্টনার ১৪; কুলদীপ ৪/৩৯, সামি ৩/১৯)। ভারত : ৩৪.৫ ওভারে ১৫৬/২ (ধাওয়ান ৭৫*, কোহলি ৪৫, রাইডু ১৩*)। ফল : ভারত ৮ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : মোহাম্মদ সামি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা