kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অবিশ্বাস্য হারে সেরেনার বিদায়

২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অবিশ্বাস্য হারে সেরেনার বিদায়

এভাবেও ফিরে আসা যায়! সেরেনা উইলিয়ামস শেষ সেটে এগিয়ে ৫-১ গেমে। সেমিফাইনালে পৌঁছানোর উদ্‌যাপন কিভাবে করবেন সেটাই ভাবছিলেন তখন। কিন্তু ক্যারোলিনা প্লিসকোভা হাল ছাড়েননি। বাঁচিয়েছেন চার চারটি ম্যাচ পয়েন্ট! সর্বকালের অন্যতম সেরা টেনিস তারকাটিকে সেখানেই আটকে প্লিসকোভা ম্যাচ জিতলেন ৬-৪, ৪-৬, ৭-৫ গেমে। মেলবোর্নে রচিত হলো টেনিসে ফিরে এসে জয় পাওয়ার অনন্য মহাকাব্য। অবিশ্বাস্য হারে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় সেরেনা উইলিয়ামসের। এ ছাড়া ছেলেদের এককে প্রথমবার সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছেন লুকাস পুইলি। এই ফরাসি ৭-৬, ৬-৩, ৬-৭, ৬-৪ গেমে হারান মিলোস রাওনিককে।

সেরেনা উইলিয়ামস এবার এসেছিলেন মার্গারেট কোর্টের ২৪তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাতে। সেই পথে এগোচ্ছিলেন মসৃণভাবে। গতকাল সেমিফাইনালে প্লিসকোভার বিপক্ষে শেষ সেটেও এগিয়ে যান ৫-১ গেম ও ৪০-৩০ পয়েন্টে। অভাবনীয় কিছু হলেই শুধু এখান থেকে ম্যাচ হারা সম্ভব। তখন হঠাৎ পায়ে হাত দিয়ে বসে পড়েন সেরেনা। ফিরে এসেছিল পুরনো চোট। এই ব্যথা নিয়ে ম্যাচ পয়েন্ট পান আরো তিনবার। কাজে লাগাতে পারেননি কোনোটা। নেটের উল্টো দিকে প্লিসকোভা শুধু ঠাণ্ডা রাখেন মাথাটা। শেষ পর্যন্ত জয়ী চেক প্রজাতন্ত্রের এই তারকাই। ম্যাচ শেষে তাঁকে প্রশংসায় ভাসালেন সেরেনা, ‘আমার ম্যাচ পয়েন্টের সময় অবিশ্বাস্য খেলছিল প্লিসকোভা। দুর্দান্ত দক্ষতায় বল ফেরাচ্ছিল লাইন থেকে, পাগুলে টেনিস! কৃতিত্বটা ওর পাওনা। আমি চোক করিনি। তবে নিজের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। এই ম্যাচে একটা শিক্ষা হলো। গ্র্যান্ড স্লামে নিশ্চিত নয় কোনো কিছু।’

রূপকথার জয়ে অনন্য চূড়ায় প্লিসকোভা। হার্ডকোর্টের টুর্নামেন্টে তিনবার সেরেনাকে হারানোর কৃতিত্ব এখন তাঁর, যা ছিল শুধু ভেনাস উইলিয়ামসের। অথচ সেরেনা ১৯৯৯ সালে যখন প্রথম গ্র্যান্ড স্লামের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেন তখন প্লিসকোভার বয়স ছয় বছর! এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা