kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

মেনোত্তিতে পূর্ণ আস্থা ম্যারাডোনার

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেনোত্তিতে পূর্ণ আস্থা ম্যারাডোনার

দুজনেই বিশ্বকাপজয়ী। তবে দুই ভূমিকায়। সিজার লুই মেনোত্তি ছিলেন ১৯৭৮ সালে বিশ্বকাপ জেতা আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের কোচ। ডিয়েগো ম্যারাডোনা ১৯৮৬’র বিশ্বকাপজয়ী দলের খেলোয়াড়। ভূমিকা বদলে দুজনেরই অভিজ্ঞতা বিপ্রতীপ। খেলোয়াড়ি জীবনে অসফল মেনোত্তি কোচ হিসেবে দারুণ সফল। অন্যদিকে খেলোয়াড়ি জীবনে সাফল্যের চূড়ায় ওঠা ম্যারাডোনা কোচ হিসেবে ব্যর্থ। ২০১০ বিশ্বকাপ, কিংবা পরবর্তী সময়ে যেসব দলের দায়িত্ব নিয়েছেন ম্যারাডোনা, কোথাও পাননি বলার মতো সাফল্য।

সম্প্রতি ’৭৮-এর বিশ্বকাপজয়ী কোচকেই জাতীয় দলের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ৮০ বছর বয়সী মেনোত্তি জাতীয় দল ও যুব দলগুলোর ভেতর সমন্বয় সাধন করবেন এবং আর্জেন্টিনার নতুন ‘ফুটবল পরিচয়’ তৈরি করবেন, এটাই আশা নীতিনির্ধারকদের। নতুন দায়িত্ব পাওয়া মেনোত্তির উদ্দেশে আবেগী বার্তা পাঠিয়েছেন ম্যারাডোনা। আজীবন আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কড়া সমালোচক হলেও এই একটি সিদ্ধান্তে ম্যারাডোনা সহমত এএফএ কর্তাদের সঙ্গে, ‘(এএফএ প্রেসিডেন্ট) তাপিয়া তাহলে শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছে। আমি বারবার বলে আসছিলাম, আর্জেন্টিনার ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার শক্তি একমাত্র মেনোত্তিরই আছে। কারণ সে জানে কাজটা কিভাবে করতে হবে। মেনোত্তি যদি শক্তহাতে হাল ধরতে পারে, তাহলে আর্জেন্টিনার ফুটবলের ভবিষ্যৎ সুদৃঢ় হবে। ৪৫ বছর আগে সে দেশের ফুটবলের গতিপ্রবাহ বদলে দিয়েছিল। সে আমাদের জার্মানদের চেয়েও বেশি দৌড়াতে বাধ্য করেছিল আর বলের দখল ব্রাজিলিয়ানদের চেয়েও বেশি রাখতে শিখিয়েছিল।’

লুই মেনোত্তি তাঁর লিকলিকে গড়নের জন্য পরিচিত ছিলেন এল ফ্লাকো (শুকনো) নামে। ম্যারাডোনা তাঁকে সেই সম্বোধন করেই লিখেছেন, ‘ফ্লাকো, তোমাকে আমি হৃদয় দিয়ে ভালোবাসি। তোমার জন্য আমার শুভ কামনা।’ ১৯৯৩ সালের কোপা আমেরিকার পর আর বড় কোনো ট্রফি জেতেনি আর্জেন্টিনার জাতীয় দল। ১৯৭৪ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা মেনোত্তি পরে বার্সেলোনা, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ও মেক্সিকো জাতীয় দলের কোচেরও দায়িত্ব পালন করেছেন। কোচিং পেশায় ৩৭ বছরের অভিজ্ঞতা মেনোত্তির, ম্যারাডোনা আশা করছেন মেনোত্তির দিকনির্দেশনাতেই ভাঙবে অচলায়তন। এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা