kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

জয়ে শুরু চট্টগ্রাম আবাহনী-সাইফের

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জয়ে শুরু চট্টগ্রাম আবাহনী-সাইফের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আওয়ালা মাগালান মুক্তিযোদ্ধার চ্যালেঞ্জ পার করে চট্টগ্রাম আবাহনীকে দিয়েছেন শুভ সূচনা। সে তুলনায় সাইফ স্পোর্টিং পুরো ম্যাচ আধিপত্য করে ২-১ গোলে রহমতগঞ্জকে হারিয়ে শুরু করেছে। 

যে অস্ত্রে গতবার কাটা পড়েছিল, এবার সেটা দিয়েই মুক্তিযোদ্ধাকে ঘায়েল করেছে চট্টগ্রাম আবাহনী। ওই নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আওয়ালা মাগালানের মহামূল্যবান গোলেই জিতেছে আবাহনী। কিন্তু গতবার এই নাইজেরিয়ানের গোলে দ্বিতীয় লেগে ২-০ গোলে হেরে তারা ছিটকে পড়েছিল শিরোপাদৌড় থেকে। এবার সেই তিনিই আবাহনীতে। মাগালানের ফ্রি-কিকেই ৪৯ মিনিটে গোল পায় চট্টগ্রাম আবাহনী।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধে তুলনামূলক ভালো খেলে চট্টগ্রাম আবাহনী। ১৮ মিনিটে তারা এগিয়ে যেতে পারত, ফয়সাল মোরশেদের শট পোস্টে লেগে ফেরায় তা হয়নি। সেই গোল পায় তারা দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে। লিডের পর থেকে গত লিগের তিন নম্বর দলটি আর ব্যবধান বড় করার চেষ্টা না করে যেন ওই গোল ধরে রাখার দিকেই মনোযোগী হয়। তখন মুক্তিযোদ্ধা চমৎকার খেলে এবং গোলের সুযোগও তৈরি করে। ৬৬ মিনিটে আইভরি কোস্টের বেলো ফামোসা বাঁ দিক থেকে ঢুকে দারুণ শট নিলেও অবিশ্বাস্য সেভ করেন আবাহনী গোলরক্ষক নেহাল। ৮৪ মিনিটে তাঁর আরেকটি শট পোস্টে লেগে ফিরলে মুক্তিযোদ্ধাকে হার মেনেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে।

প্রথম ম্যাচ থেকেই ছন্দে সাইফ স্পোর্টিং। ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো খেলতে গিয়ে গত লিগের চতুর্থ দলটির এতটুকু সমস্যা হয়নি। রহমতগঞ্জের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেই তারা ২-১ গোলের জয় দিয়ে শুরু করেছে লিগ। তবে তাদের দুই গোলদাতাই দেশি। অবশ্য তারা খেলেছেও এক বিদেশি কম নিয়ে। তিন বিদেশির মধ্যে দুর্দান্ত খেলেছেন পার্ক সিয়ুং, এই কোরিয়ানের পায়ে তৈরি হয় দলের খেলাটা। ৩৭ মিনিটে ইয়াসির আরাফাতের সেন্টারে জাবেদ খান দারুণ ফিনিশ করে এগিয়ে নেন দলকে। এই লিড ধরে রেখে তারা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়। ৪৬ মিনিটে রহমতগঞ্জের খেলোয়াড়ের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে পার্ক বক্সের ভেতর বল হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলে মেহবুব হাসান নয়ন ভলিতে লক্ষ্য ভেদ করেন।

২-০ গোলের লিডে সাইফ ম্যাচ একরকম পকেটে পুরে নিলেও রহমতগঞ্জ মাঝে মাঝে ফণা তুলেছে। তাতেই একটি ভুল করে বসেন ডিফেন্ডার ইয়াসির বল হাতে লাগিয়ে। ইনজুরি টাইমে ফয়সাল আহমেদের সেই পেনাল্টি গোলে রহমতগঞ্জ ব্যবধান কমায়। তাতে অবশ্য সাইফের ব্রিটিশ কোচ জোনাথন ম্যাকেনস্ট্রির আফসোস নেই, ‘জয় দিয়ে লিগ শুরু করতে পারাটা তৃপ্তির ব্যাপার। খেলোয়াড়রা ভালো খেলেছে, সুযোগ তৈরি করেছে, তাতে ব্যবধান আরো বড় হতে পারত। হয়নি বলে দুঃখ নেই। কারণ ম্যাচের ৬৭ মিনিট পর্যন্ত আমরা নিয়ন্ত্রণ করেছি, শেষের কিছু সময় ওরা ভালো খেলেছে। আমি খুশি যে প্রথম ম্যাচে আমাদের তরুণ দলটি ঢাকার বাইরে গিয়ে ভালো খেলেছে।’ তবে বেশ কিছু গোলের সুযোগ মিস করেছে সাইফ, এর মধ্যে একদম সহজ সুযোগটি পেয়েছিলেন মিরাজ। এতে বিদেশি কোচ হতাশ নন, ‘তরুণ মিরাজ সহজ সুযোগ মিস করেছে, ফুটবলে এটা হতেই পারে। তবে পার্কই শ্যুটিং করতে পারত, হয়তো-বা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সে মিরাজকে পাস দিয়েছিল। যা-ই হোক, প্রথম ম্যাচ থেকে দলের ছন্দে থাকাটা বড় ব্যাপার।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা