kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

চিটাগংয়ের রানপাহাড়ে চাপা খুলনা

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চিটাগংয়ের রানপাহাড়ে চাপা খুলনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গত বিপিএলে সাতটি ইনিংস ছিল দুই শ ছাড়ানো। এবার কিছুতেই সে মাইলফলক স্পর্শ করতে পারছিল না কোনো দল। ঢাকা পর্বে ঢাকা ডায়নামাইটস এক ম্যাচে করেছিল ১৯২ রান। কাল সিলেট পর্বের শেষ দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের ১৯৪ রান টপকে জয় পায় রংপুর রাইডার্স। কিন্তু দুই শ রানের চূড়ায় উঠতে পারছিল না কোনো দল।

কালকের দ্বিতীয় ম্যাচে অবশেষে চিটাগং ভাইকিংসের সে চূড়া জয়। খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে তাদের ৪ উইকেটে ২১৪ রান এ আসরের সর্বোচ্চ; বিপিএল ইতিহাসেরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ঠিক আগের খেলায় রংপুর রাইডার্স দুই শ ছুঁইছুঁই স্কোর তাড়া করে জিতেছে ঠিক; তবু খুলনার পক্ষে ২১৫ রান করে জেতাটা কঠিন বৈকি। বিশেষত এ আসরে তাদের প্রথম ছয় ম্যাচে মাত্র এক জয়ের রেকর্ড মাথায় রাখলে। তবু মাহমুদ উল্লাহ (৫০) ও ডেভিড উইসের (৪০) দুটি ইনিংসে ভর করে অনেকটা কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি টাইটানস। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৮ রানেই থামে খুলনা, হার ২৬ রানে। ম্যাচসেরা মুশফিক।

১৮তম ওভারে মুশফিকুর রহিম যখন আউট হন, তখন কিন্তু বোঝা যায়নি যে চিটাগং ভাইকিংসের স্কোর এমন ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে। দলের রান ১৭৭, ইনিংসের বল বাকি মোটে ১৪টি। কত রানই বা হবে? দাসুন শানাকা-নাজিবুল্লাহ জাদরান ওই ১৪ বলেই তোলেন ৪৪ রান! ওই ১৮তম ওভারের শেষ বলে শানাকার ছক্কা। লাসিথ মালিঙ্গার করা ১৯তম ওভারে স্বদেশিকে আরো দুই ছয় মারেন তিনি। আর শুভাশীষ রায়ের করা শেষ ওভারে রীতিমতো তুফান ছোটে শানাকা-নাজিবুল্লাহর ব্যাটে। প্রথম দুই বলে দুটি চার মেরে তৃতীয় বলে এক রান লঙ্কান ব্যাটসম্যানের। শেষ তিন বলে আফগান নাজিবুল্লাহর ব্যাট থেকে আসে ৪, ৪ ও ৬। শেষ ওভারে চিটাগং ভাইকিংস তোলে ২৩ রান। তাতেই চার উইকেটে ২১৪ রানের পাহাড়ে তারা।

শানাকা (১৭ বলে ৪২*), নাজিবুল্লাহর (৫ বলে ১৬*) ব্যাটে শেষ; শুরুটা মোহাম্মদ শাহজাদ, ইয়াসির আলী, মুশফিকুর রহিমে। তিনটি করে ছক্কা-চারে ১৭ বলে ৩৩ রান শাহজাদের। ৩৬ বলে ৫৪ রান ইয়াসিরের। তবে আটটি চার এবং এক ছক্কায় ৩৩ বলে ৫২ রান করে মুশফিক যখন আউট হয়ে যান, তখন কিন্তু বোঝা যায়নি চিটাগং ভাইকিংসের রান এত হবে। শেষ ১৪ বলে শানাকা-নাজিবুল্লাহর ব্যাটের ঝড়ে এবারের বিপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস গড়ে তারা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা