kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

বিপুল প্রত্যাশাও চাপ নয় ডি ভিলিয়ার্সের কাছে

১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিপুল প্রত্যাশাও চাপ নয় ডি ভিলিয়ার্সের কাছে

সিলেট থেকে প্রতিনিধি : বিপিএলে প্রথম মাঠে নামার আগে একটু অনুশীলন তো করা চাই। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে কাল সকালে নেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে যে চেহারায় দেখা গেল, ম্যাচেও তাঁকে একইভাবে দেখার প্রত্যাশা নিশ্চিতভাবেই থাকবে রংপুর রাইডার্সের। ছয় ম্যাচের চারটিতেই হেরে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের অবস্থাও এখন সংকটাপন্ন। বাকি ছয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে সেরা চারে থাকা নিশ্চিত করতে হবে তাদের। আর গত মার্চে হুট করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো এই দক্ষিণ আফ্রিকানের সঙ্গে রংপুরের চুক্তিও ছয় ম্যাচেরই। নক আউট পর্বে গেলে সেটি বর্ধিত করার সুযোগও আছে। কিন্তু এর আগে তো সেরা চারে থাকতে হবে।

আজ সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সেই অভিযানই। এর শুরু থেকেই তাই ডি ভিলিয়ার্সের কাছেও থাকছে রংপুর রাইডার্সের বিপুল প্রত্যাশা। সেটি তিনি মেটাতে পারবেন? নাকি চাপে ভেঙে পড়বেন? কিন্তু এখন বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলে বেড়ানো এই ব্যাটসম্যানের কাছে প্রত্যাশা নতুন কিছু নয়। এ রকম পরিস্থিতি বরং তিনি উপভোগই করেন। আবার কখনো কখনো এ রকম পরিস্থিতি তাঁর সেরাটাও বের করে আনে। সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে রাখলেন তাও, ‘পুরো ক্যারিয়ারেই প্রত্যাশার চাপ নিয়ে খেলেছি। এটি আমার জন্য তাই নতুন কিছু নয়। এটি বরং আমাকে মাঠে নেমে আরো ভালো খেলতে উজ্জীবিত করে।’

তবে সব ম্যাচেই যে তাঁর মতো করে জ্বলে ওঠা সম্ভব নয়, মনে করিয়ে দিলেন সেটিও, ‘ক্রিকেট খেলায় উত্থান-পতন থাকবেই। সব ম্যাচেই পারফরম করা সম্ভব নয়। নিয়মিত ভালো পারফরম্যান্স করতে অবশ্যই চাই। তবে সব ম্যাচেই তা করা অসম্ভব।’ তবে রংপুরকে শেষ চারে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় আশাবাদও ব্যক্ত করলেন এই প্রথমবার বিপিএল খেলতে আসা ডি ভিলিয়ার্স, ‘একাদশে জায়গা পেলে কাল প্রথম ম্যাচ খেলতে নামব। আমাদের দল কিন্তু দুর্দান্ত। দলে যারা আছে, তাদের নামগুলো দেখলেই তা বোঝা যায়। দলে ভারসাম্য দারুণ। রংপুর রাইডার্সের অতীত সাফল্যের কথাও আমি জানি। লিগ পর্বের শেষ ছয় ম্যাচে ভালো করতে হবে আমাদের। আশা করি আমরা শেষ চারে যেতে পারব।’

বিপিএলে যেমন ধীরগতির ও টার্নিং উইকেটে খেলা হচ্ছে, তাঁর মতো আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যানের কাছে তা সুবিধাজনক হওয়ার কথা নয় বলেই পূর্বানুমান ছিল। কিন্তু সে প্রসঙ্গ উঠতেই তাঁর কণ্ঠে শোনা গেল উল্টো সুর, ‘উইকেট তো ভালোই। কিছু উইকেটে হয়তো খানিকটা টার্ন থাকে। আমার তাতে আপত্তি নেই। টার্নিং উইকেটে খেলা আমি সব সময়ই উপভোগ করেছি। তা ছাড়া ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো উইকেটও তো পাওয়া যায় দেখেছি। সিলেটের বিপক্ষে আমাদের শেষ ম্যাচটিতে দেখলাম ভালো উইকেটই ছিল। আশা করি, কালও (আজ) তেমনই থাকবে।’

তেমনই থাকলে বল ব্যাটেও আসবে ভালো। সে ক্ষেত্রে ভিলিয়ার্সের মতো ব্যাটসম্যানের সাফল্যের সম্ভাবনাও আরো বাড়বে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা