kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

লিটন-ওয়ার্নার ঝড়ে রংপুরের হার

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লিটন-ওয়ার্নার ঝড়ে রংপুরের হার

ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

সিলেট থেকে প্রতিনিধি : আগেও ঝড় তুলছিলেন বাঁহাতি ডেভিড ওয়ার্নার। অফস্পিনারকে খেলার সুবিধার্থে তিন বলের জন্য ডান হাতে ব্যাটিং করেও অব্যাহত রাখলেন সেই ঝড়। সিলেট সিক্সার্স অধিনায়কের কিছুক্ষণের জন্য সহজাত ব্যাটিং বদলে চমকে দেওয়ার দিনে রংপুর রাইডার্সের বোলারদের ছিন্নভিন্ন করেছেন লিটন কুমার দাশও।

দুজনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকদের ৫ উইকেটে তোলা ১৮৭ রান তাড়ায় সমান বেগের কিংবা এর চেয়েও দ্রুতগামী ঝড় জরুরি ছিল রংপুরের ব্যাটিংয়েও। পরেরটি করার লোকও ছিলেন। কে আবার? ক্রিস গেইল ছাড়া। সেই গেইল (৭) দ্রুতই সাজঘরের পথ ধরলেও এই আসরে রংপুরের সেরা ব্যাটসম্যান রাইলি রুশোর ব্যাটে জিইয়ে ছিল আশা। জয় থেকে ৮৮ রান দূরে থাকতে তাসকিন আহমেদ রুশোকে (৩২ বলে ৪ ছক্কা ও ৩ বাউন্ডারিতে ৫৮) বোল্ড করে দিতেই সেই আশার সমাধিতে ফোটে সিলেটের জয়ের ফুল। ২৭ রানের জয়ে আগের রাতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৬৮ রানে অল আউট হওয়ার লজ্জাও আড়াল। পাঁচ ম্যাচ খেলে এটি সিলেটের দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে ছয় ম্যাচে চতুর্থ হার বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।

এই হারে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান আরো কঠিন হয়ে গেল রংপুরের। তাদের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট এদিন ওপেনিংয়েও দেয় চমক। লিটনের সঙ্গে পাঠিয়ে দেয় সাব্বির রহমানকে, ওয়ার্নার নেমে যান তিনে। তিনি নামার আগেই অবশ্য দুরন্ত গতিতে ছুটতে থাকে সিলেটের রানের চাকা। সেটা মূলত ঘোরাচ্ছিলেন লিটনই। মাশরাফি বিন মর্তুজা ও শফিউল ইসলামের করা ম্যাচের প্রথম দুই ওভারে মারেন দুটি করে বাউন্ডারি। মাশরাফির পরের ওভারে আরো তিনটি। আক্রমণে এসে লিটনের ব্যাটে বেদম মার খান অফস্পিনার সোহাগ গাজীও।

সাব্বির ২০ রান করে আউট হওয়ার পর ওয়ার্নার আসতেই দুদিক থেকেই ঝড় তুলতে থাকে সিলেট। ৪৩ বলে ৯ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় নিজের টি-টোয়েন্টি সেরা ৭০ রান করে লিটন রান আউটে কাটা পড়লেও প্রতিপক্ষের বোলারদের কচুকাটা করতে থাকেন ওয়ার্নার। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে গেইলের অফস্পিন কাজে লাগানো মাশরাফি ১৯তম ওভারে আবার ফিরিয়ে আনেন এই ক্যারিবীয়কে। প্রথম বলে ডাবল নেওয়ার পরের দুই বলে কোনো রান নিতে না পারাতেই চমকটি দেন ওয়ার্নার। চতুর্থ বলে স্টান্স বদলে ডানহাতি হয়ে যান। গেইলের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকান। ওই ছক্কাতেই ফিফটিতে পৌঁছান এই অস্ট্রেলিয়ান। পরের বলটি ফুলটস, সেটিতেও সুইপ করে বাউন্ডারি। ওভারের শেষ বলে সুইচ হিটে আরেকটি বাউন্ডারি মারা ওয়ার্নার ইনিংসের শেষ ওভারে ফিরে যান সহজাত বাঁহাতি ব্যাটিংয়েই। ৩৬ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা