kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

সিক্সার্সের লজ্জার দিনে টাইটানসের প্রথম জয়

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিক্সার্সের লজ্জার দিনে টাইটানসের প্রথম জয়

ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

সিলেট থেকে প্রতিনিধি : ২২ রানে ৭ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর রেকর্ড নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি পড়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। নিজেদের মাঠে সিলেট সিক্সার্সের এমন দুর্দশায় তা পড়ে গেলও। ঝাড়খণ্ডের বিপক্ষে ত্রিপুরার মাত্র ৩০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার রেকর্ডও তারা ভেঙে ফেলে কি না, সেই সম্ভাবনাও জিইয়ে থাকল বেশ কিছুক্ষণ। তবে দলের চরম বিপর্যয়ে ‘লোকাল বয়’ অলক কাপালি ত্রাতা হয়ে গেলেন বলেই কিছুটা রক্ষা, তবে শেষ রক্ষা অবশ্যই নয়।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৩১ বলে ৪ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় অলকের অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংসে টি-টোয়েন্টির সর্বনিম্ন রানে অল আউট হওয়ার লজ্জা এড়াতে পারলেও সিলেটের পুঁজি মাত্র ৬৮ রানের। যে রান তাড়া করে ৮ উইকেটে জেতা কুমিল্লার শুরুও খুব স্বাচ্ছন্দ্যের ছিল না। সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেটে রানোৎসবের প্রতিশ্রুতি থাকলেও এখানে দিনের প্রথম ম্যাচটিও লো স্কোরিং। উইকেটে টার্নের সঙ্গে বাউন্সও থাকায় ব্যাটসম্যানদের কাজ কিছুটা কঠিন ছিল।

রাজশাহী কিংসের ব্যাটসম্যানদের জন্য সেটিই আরো কঠিন করে তুলেছিলেন খুলনা টাইটানসের তাইজুল ইসলাম। মাত্র ১০ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং এই বাঁহাতি স্পিনারের। সেই সঙ্গে পাকিস্তানি পেসার জুনাইদ খানও (৩/২৬) ছিলেন দারুণ কার্যকর। এই যুগলবন্দিতে নিজেরা ৯ উইকেটে মাত্র ১২৮ রান তোলার পরও প্রথম চার ম্যাচ হারা খুলনা দেখেছে প্রথম জয়ের মুখ। তাও আবার রাজশাহীকে মাত্র ১০৩ রানে শেষ করে দিয়ে ২৫ রানের অনায়াস জয়ই। ৫ ম্যাচে এটি রাজশাহীর তৃতীয় হার। ৪ ম্যাচে তৃতীয় হার সিলেটেরও। সমানসংখ্যক ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অবশ্য এটি তৃতীয় জয়।

যে জয়ের পথে সিলেট সিক্সার্সকে লজ্জার রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড় করিয়েছিলেন মেহেদী হাসান। এই অফস্পিনিং অলরাউন্ডার এদিন পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের সঙ্গে বোলিং ওপেন করেন। নিজের প্রথম ওভারেই এক রকম বোল্ড করে দেন স্বাগতিকদের। দ্বিতীয় বলেই বোল্ড করেন আন্দ্রে ফ্লেচারকে (৪)। এক বল পর একই পরিণতি সিলেট অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারেরও (০)। এর পরের বলেই আফিফ হোসেনকেও (০) এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলে চলতি বিপিএলের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনার সামনে গিয়েও দাঁড়ান মেহেদী।

সেটি না পেলেও এ অফস্পিনারের টি-টোয়েন্টি সেরা ২২ রানে ৪ উইকেট নেওয়ার দিনে যোগ্য সহযোগীর ভূমিকা নিয়েছিলেন কুমিল্লার বাঁহাতি পেসার ওয়াহাব রিয়াজ (৩/১৫) এবং ইংলিশ বাঁহাতি স্পিনার লিয়াম ডসনও (২/৪)। তাতে অলকের প্রতিরোধে সিলেট সিক্সার্স লজ্জা এড়াতে পারলেও শেষ রক্ষার সুযোগ ছিল না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা