kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

রোমাঞ্চ ছড়িয়ে সেমিতে ব্রাদার্স

১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোমাঞ্চ ছড়িয়ে সেমিতে ব্রাদার্স

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গোলের মহড়া, সৌন্দর্য ও খেলার বাঁক বদলে আরামবাগ-ব্রাদার্স লড়াই এমন রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে, টুর্নামেন্টে এর তুলনা আর দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে না। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ৬ গোলে (৩-৩) থেমে থাকলে নিশ্চিত নায়ক আরামবাগের রবিউল। কিন্তু টাইব্রেকারে তাঁকে ছিটকে দিয়ে নায়কের আসনে বসলেন ব্রাদার্স গোলরক্ষক সুজন চৌধুরী। তাঁর কৃতিত্বেই যে ৪-৩ গোলে চ্যাম্পিয়নদের বিদায় করে ব্রাদার্স ইউনিয়ন পৌঁছে গেছে স্বাধীনতা কাপের সেমিফাইনালে।

দুই দলের শক্তি কাছাকাছি। তাই মাঠের খেলা, আক্রমণও ক্ষণে ক্ষণে দিক বদলেছে। ১২ মিনিটে ক্যামেরুনের পল এমিলির সেন্টারে ম্যাচ শুরুর নায়ক রবিউলের ভলি ব্রাদার্সের জাল খুঁজে নিলে এগিয়ে যায় আরামবাগ। তবে বিরতির আগেই শোধ হয়ে যায় সেই গোল। বাঁ দিক ধরে আক্রমণে উঠে শাফি চমৎকার সব ক্রস ফেলছিলেন। ৪৩তম মিনিটে এই ফুলব্যাকের সে রকম একটি ক্রসে ব্রাজিলিয়ান লিমার হেড সমতায় ফেরায় ব্রাদার্সকে। ৫৩ মিনিটে আবার স্বাধীনতা কাপ চ্যাম্পিয়নরা এগিয়ে যায় এমিলি-রবিউলের দারুণ বোঝাপড়ায়। ক্যামেরুন ফরোয়ার্ডের ব্যাকহিলের পর রবিউলের বাঁ পায়ের শটটি ছিল দেখার মতো। রবিউলের জোড়া গোলের পর প্রতিপক্ষে শাফির জোড়া অ্যাসিস্ট যে তখনো বাকি! ৬৫ মিনিটে সেটি সম্পন্ন করেন তিনি বাঁ দিক থেকে দারুণ এক বল ফেলে। দূরের পোস্ট দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ফাঁকায় থাকা মান্নাফ রাব্বির ভলিতে দ্বিতীয়বারের মতো ম্যাচে ফেরে গোপীবাগের দলটি।

এবার লিড নেয় ব্রাদার্স ৭৮ মিনিটে জ্যাক ড্যানিয়েলের দুর্দান্ত এক শটে। প্রায় ২২ গজ দূর থেকে অবিশ্বাস্য এক গোল করে পানামার এই ফরোয়ার্ড জার্সি খুলে উল্লাসে মেতে সর্বনাশ ডেকে আনেন দলের। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে তাঁকে মাঠ ছাড়তে হলে ১০ জনের দল নিয়ে লিডে থাকা ব্রাদার্স বাকি ১২ মিনিট পার করতে পারেনি। ৮৬ মিনিটেই রবিউলের কর্নারে পল এমিলির গোলটি ম্যাচের ভাগ্য নিয়ে যায় অতিরিক্ত সময়ে। ১২০ মিনিট শেষেও ৩-৩ গোলের সমতা বজায় থাকলে ম্যাচ নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে। সেখানে নায়ক ব্রাদার্স গোলরক্ষক সুজন চৌধুরী, নিজে দুটো ঠেকিয়েছেন আরেকটা ফেরে পোস্টে লেগে। সুবাদে সাডেন ডেথে ব্রাদার্স ৪-৩ গোলে ম্যাচ জিতে পৌঁছে যায় সেমিফাইনালে।

মন্তব্য