kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই মাইলফলক

১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই মাইলফলক

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এটি নিশ্চিত যে এমন আর একটি সিরিজও আসেনি মাশরাফি বিন মর্তুজার জীবনে। যে সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই তাঁর জন্য কোনো না কোনো মাইলফলক ছোঁয়ার কিংবা পেরোনোর ম্যাচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ছিল প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তাঁর ২০০তম ওয়ানডে। কিন্তু এর সবগুলো আবার বাংলাদেশের হয়ে খেলেননি। দুটি ম্যাচ খেলেছেন আবার এশিয়া একাদশের হয়েও। তবে ১৪ ডিসেম্বর সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে নামলে দেশের হয়ে ওয়ানডে খেলার ডাবল সেঞ্চুরিও হয়ে যাবে বাংলাদেশ অধিনায়কের।

তার আগে আজ যে দ্বিতীয় ওয়ানডে, তাতেও আরেকটি মাইলফলক ছোঁয়ার ব্যাপার আছে মাশরাফির। এই ম্যাচ খেলেই যে বাংলাদেশকে সর্বাধিকসংখ্যক ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ডে ভাগ বসাতে চলেছেন তিনি। এত দিন পর্যন্ত ৬৯টি ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া হাবিবুল বাশারের দখলে ছিল রেকর্ডটি। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি অধিনায়ক মাশরাফিরও ৬৯তম ম্যাচ। বলা বাহুল্য, সিরিজের সব ম্যাচ খেললে রেকর্ডটি শুধুই নিজের করে নেওয়াটা মাশরাফির জন্য শুধুই সময়ের ব্যাপার।

মাশরাফির সাবেক অধিনায়ক হাবিবুলকে ছোঁয়ার দিনটি আবার স্মরণীয় হয়ে থাকার মতো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘বিগ ফাইভে’র জন্যও। ২০০৭ বিশ্বকাপের আগে থেকেই জাতীয় দলে একসঙ্গে খেলছেন মাশরাফি, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবাল। এঁদের সঙ্গে মাহমুদ উল্লাহ এসে যোগ দিয়েছেন আরো পরে। দলে ঢোকা এবং ছিটকে পড়ার বিপরীতমুখী অভিজ্ঞতাও এঁদের মধ্যে মাহমুদেরই সবচেয়ে বেশি হয়েছে। আবার চোটজর্জর ক্যারিয়ারে মাশরাফি নিজেও লম্বা সময় থেকেছেন মাঠের বাইরে। তবে পারফরম্যান্স দিয়ে প্রত্যেকেই এক বন্ধনীতে ‘বিগ ফাইভ’ নাম নিয়ে বেঁধে নিয়েছেন নিজেদের। তাঁরা সবাই মিলেও আজ পৌঁছাতে চলেছেন অন্য রকম এক সেঞ্চুরিতে। এঁরা পাঁচজনই খেলেছেন, এমন ম্যাচের সংখ্যাও আজ এক শতে গিয়ে ঠেকছে! 

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই তাই কোনো না কোনো মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচ হয়ে থাকছে।

মন্তব্য