kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

ছয়ে ছয় মিরাজের

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছয়ে ছয় মিরাজের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গত জুলাইয়ে সেন্ট কিটসে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে থেকে শুরু। এর পর থেকে এটি যেন অঘোষিত নিয়মেই পরিণত হয়েছে যে শিমরন হেটমায়ারের উইকেটটি মেহেদী হাসান মিরাজই নেবেন। সেই থেকে ক্যারিবীয় এই বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান টেস্ট আর ওয়ানডে মিলিয়ে ছয় ইনিংসে মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশের অফ স্পিনারের। ছয়বারই মিরাজের শিকার হেটমায়ার।

তাঁকে নিজের নিয়মিত শিকার বানিয়ে ফেলার রহস্য অবশ্য ঢাকায় সদ্যসমাপ্ত সিরিজের শেষ টেস্টের তৃতীয় দিনই ব্যাখ্যা করেছিলেন মিরাজ, ‘ওর বিপক্ষে আমি অনেক খেলেছি। দুটো যুব বিশ্বকাপে খেলেছি। এরপর জাতীয় দলে ঢুকেও খেললাম। ওর বিষয়ে অনেক কিছুই আমি জানি। কাজেই ও ব্যাটিংয়ে এলে পরিকল্পনা করা সহজ হয়। এ জন্য সাফল্যও এসেছে।’

সেই সাফল্য এলো কাল মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেও। হেটমায়ার বিধ্বংসী হয়ে ওঠার আগেই তাঁকে বোল্ড করে সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ। তাও আবার সেটি ছিল ম্যাচে হেটমায়ারকে করা মিরাজের প্রথম ডেলিভারি। নিচু হওয়া বল হেটমায়ারের লেগ স্টাম্পের বেল তুলে নেয়। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের চার ইনিংসেও মিরাজের ধরাবাঁধা শিকার ছিলেন হেটমায়ার। দল হোয়াইটওয়াশ হলেও দুই টেস্টের সিরিজে ক্যারিবীয় দলের সফলতম ব্যাটসম্যান ছিলেন তিনিই। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়ক এই তরুণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ছাপ রেখে চলেছেন। তাঁর তিনটি ওয়ানডে সেঞ্চুরির একটি আবার বাংলাদেশের বিপক্ষেও। গত জুলাইয়ে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তাঁর সেঞ্চুরিতেই সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত সেই সিরিজ জেতা বাংলাদেশের বিপক্ষে ফিরতি সিরিজ খেলতে আসার আগে ভারতের মাটিতে আরো দুটো সেঞ্চুরি করে এসেছেন হেটমায়ার। মিরপুরে শেষ টেস্টে পেয়ে যেতে পারতেন প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখাও। তবে তাঁকে ৯৩ রানে থামিয়ে সেঞ্চুরি বঞ্চনায়ও পুড়িয়েছেন মিরাজই।

মন্তব্য