kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১         

হারের বৃত্ত ভাঙল অস্ট্রেলিয়া

১০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হারের বৃত্ত ভাঙল অস্ট্রেলিয়া

বছরটা কাটছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ওয়ানডে জয় শুধু একটি, তাও বছরের একেবারে শুরুতে। এরপর টানা সাত ওয়ানডে হারে অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে টানা এত বেশি হারের লজ্জা ছিল না আর। সব মিলিয়ে ২২ ওয়ানডেতে জয় মাত্র ২টি! ব্যর্থতার বৃত্তটা ভাঙল অ্যাডিলেডে। সাত ওয়ানডেতে হারের হতাশা পেছনে ফেলে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে গতকাল হারাল ৭ রানে। অস্ট্রেলিয়ার ২৩১ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ২২৪-এ থামে প্রোটিয়ারা। সিরিজে এখন সমতা ১-১-এ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিন তিনটি উইকেট নিয়ে জয়ের অন্যতম নায়ক মার্কাস স্টোইনিস। দুটি করে উইকেট মিচেল স্টার্ক ও জস হ্যাজেলউডের।

২৩১ রান তাড়া করতে নেমে দশম ওভারে ১ উইকেটে ৪৬ করে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় রান নিতে গিয়ে ১৭ বলে ১৯ করা এইদেন মারক্রাম রান আউট হলে ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। দেখতে দেখতেই ৬৮ রানে তারা হারিয়ে বসে ৪ উইকেট। পঞ্চম উইকেটে ৭৪ রানের জুটিতে ধাক্কাটা কাটান ফাফ দুপ্লেসিস ও ডেভিড মিলার। ৩০তম ওভারে ৪ উইকেটে স্কোর ১৪২। ৬৫ বলে ৪৭ করা দুপ্লেসিসকে বোল্ড করে জুটিটা ভাঙেন প্যাট কামিন্স।

শেষ ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ৫৫ রান হাতে ৪ উইকেট। ডেভিড মিলার ফিফটি করে হয়ে উঠেছিলেন আতঙ্ক। কিন্তু ৭১ বলে ৫১ করা মিলারকে এলবিডাব্লিউ করে বড় ধাক্কাটা দেন স্টোইনিস। মিলারকে ফেরানোর আগের ওভারে স্টোইনিস বোল্ড করেছিলেন ডেল স্টেইনকে। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২০ রান। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের প্রথম বলে ইমরান তাহির মেরেছিলেন বাউন্ডারি। তবে সব মিলিয়ে ১২ রানই আসে ওভারটি থেকে আর ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙে অস্ট্রেলিয়ার। তাই ম্যাচসেরার পুরস্কার নিয়ে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের স্বস্তি, ‘এত অল্প রান নিয়ে জেতাটা অসাধারণ। স্বস্তি কিনা বলতে পারছি না, তবে কঠোর পরিশ্রমের পুরস্কার পেয়েছি আমরা। পেসাররা ছিল এক কথায় দুর্দান্ত।’

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.৩ ওভারে ২৩১ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। অ্যালেক্স ক্যারি ৪৭, ক্রিস লিন ৪৪ ও অ্যারন ফিঞ্চ করেন ৪১। কাগিসো রাবাদা ৪ ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। আগামীকাল হোবার্টে মাঠে গড়াবে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডে। ক্রিকইনফো

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা