kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

তারুণ্যে বদলে যাওয়া পাকিস্তান

৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুরুতেই ছিটকে পড়েছিল পাকিস্তান। এর পর থেকে সরফরাজ আহমেদের হাত ধরে তারা বদলে যাওয়া দল। তারুণ্যের শক্তিতে সবশেষ ৩৩ টি-টোয়েন্টির ২৯টিই জিতেছে পাকিস্তান। গত পরশু নিউজিল্যান্ডকে সিরিজের শেষ ম্যাচে হারাল ৪৭ রানে। পাকিস্তানের ৩ উইকেটে ১৬৬ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে যায় ১১৯-এ। তিন ম্যাচের সিরিজে তাই ৩-০তে হোয়াইটওয়াশ নিউজিল্যান্ড। এটা টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের টানা নবম জয় ও ১১তম সিরিজ জয়। কৃতিত্বটা অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ দিলেন তরুণদেরই, ‘আসল ব্যবধান হচ্ছে আমাদের দলটা ভীষণ তরুণ। আমরা তরুণদের সুযোগ দিয়েছি আর জয়ের খিদে নিয়ে ওরাই এনে দিচ্ছে সাফল্য।’

সাবেক অধিনায়ক রমিজ রাজা, ‘এটা আমাদের ডিএনএরই অংশ। তবে সাফল্যটা আসছে তরুণদের স্কিল ও ফিটনেসের কারণে।’ ফিল্ডিংয়ে একটা সময় বদনাম ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু গত ২৮ ম্যাচে ২৫টি রান আউট করেছেন ফিল্ডাররা। গত পরশুর ম্যাচেও রান আউট নিউজিল্যান্ডের দুই ব্যাটসম্যান। কেন উইলিয়ামসন করেছিলেন ৩৮ বলে ৬০। কিন্তু শাদাব খান ৩, ওয়াকাস মাকসুদ ও ইমাদ ওয়াসিম ২টি করে উইকেট নিয়ে কিউইদের বেঁধে ফেলেন ১১৯-এ। এর আগে ম্যাচসেরা বাবর আজমের ৭৯ ও মোহাম্মদ হাফিজের হার না মানা ৫৩-তে পাকিস্তান পায় ১৬৬ রানের পুঁজি। ২৬ ইনিংসে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম হাজার রানের রেকর্ড গড়েছেন বাবর। ২৭ ইনিংসে হাজার রানের আগের রেকর্ডটি বিরাট কোহলির। ক্রিকইনফো



সাতদিনের সেরা