kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মুখোমুখি প্রতিদিন

আগের ম্যাচের চেয়েও ভালো করেছি আমরা

৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আগের ম্যাচের চেয়েও ভালো করেছি আমরা

ফেডারেশন কাপে টানা দুই ম্যাচ জিতে, দ্বিতীয়টিতে আবার চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে হারিয়ে দারুণভাবে মৌসুমটা শুরু করেছে শেখ রাসেল। কাল আবাহনীর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তাদের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিতের পর কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন দলটির

কোচ সাইফুল বারী

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আবাহনীর বিপক্ষে জয় তো বড় জয়, আপনার কি অনুভূতি হচ্ছে?

সাইফুল বারী : ম্যাচটি গ্রুপসেরা নির্ধারণী ছিল। চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে ফিকশ্চারে একটু বেশি দিন সময় পাওয়ার সুযোগ আছে শেষ আটে মাঠে নামার আগে। এ সবই আসলে মাথায় ছিল, আবাহনী বলে ভিন্ন কিছু না। প্রতিটি ম্যাচেই আমরা জয়ের একই রকম তাগিদ নিয়ে মাঠে নামি। এই ম্যাচে বাড়তি যেটা ছিল প্রথম ম্যাচের চেয়ে পারফরম্যান্স আরো ভালো করা। সেটা অনেকটাই হয়েছে।

প্রশ্ন : ১-০ গোলের লিডটা ধরে রেখে জিততে পেরেই কি খুশি নাকি ব্যবধান বাড়াতে না পারার আক্ষেপ আছে?

সাইফুল : ড্র হলেই আমরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হই। সেখানে লিড নেওয়ার পর ব্যবধান বাড়ানো নিয়ে আমার খুব একটা মাথাব্যথা ছিল না। বরং আবাহনীকে খেলার জায়গা দিয়েছি। আমরা চেয়েছি ডিফেন্ডিংটা ভালোভাবে করতে, পাশাপাশি পাল্টাআক্রমণের চেষ্টা তো ছিলই। এ ম্যাচে আমাদের অন্যতম স্ট্রাইকার রাফায়েলকে খেলাইয়িনি। ওর হালকা ব্যথা ছিল। কোয়ার্টার ফাইনালে যাতে ভালোভাবে নামতে পারে, সেটাই মাথায় রেখেছি।

প্রশ্ন : দ্বিতীয়ার্ধে আবাহনী যেভাবে চড়াও হওয়ার সুযোগ পেয়েছে তাতে তো লিড হারাতেও পারতেন?

সাইফুল : ওদের আমরা পজেশন ছেড়েছি ঠিক, তবে পরিষ্কার কোনো সুযোগ ওরা করতে পেরেছে বলে আমার মনে হয় না। এই ম্যাচে আমার ডিফেন্সের ভালো একটা পরীক্ষা হয়ে গেছে। তাদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি।

প্রশ্ন : শেষ আটে তো সাবেক দল চট্টগ্রাম আবাহনীর মুখোমুখি হচ্ছেন, এটা নিয়ে কী ভাবনা?

সাইফুল : চট্টগ্রাম আবাহনীকে পূর্ণ সমীহ করছি আমি ওই ম্যাচের জন্য। কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু দলটাকে নিয়ে ভালো কাজ করছেন। ওদের বিদেশিরাও ফর্মে আছে। নক আউট ম্যাচে কোনো দলকে আসলে এগিয়ে-পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই। চট্টগ্রাম আবাহনী না হয়ে এ ম্যাচে আরামবাগ প্রতিপক্ষ হলেও আমার একই মনোভাব থাকত।

প্রশ্ন : ম্যাচগুলোতে কি এখন বিদেশিরাও পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে?

সাইফুল : পুরোপুরি তা নয়। আমার তো মনে হয় স্থানীয় ফুটবলাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমার দলের কথা বলতে পারি, যে ধরনের ফুটবলার আমরা নিয়েছি সবাই খুবই কার্যকর। দলে চার বিদেশি বাদ দিলে সাতটি জায়গার জন্য সব স্থানীয় খেলোয়াড়কে লড়তে হয়। তারা কিন্তু ওই সুযোগটার জন্য মুখিয়ে থাকে।



সাতদিনের সেরা