kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

মার্শাল আইয়ুবের সেঞ্চুরি

৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মার্শাল আইয়ুবের সেঞ্চুরি

স্বাগতিক বোলারদের তোপের মুখে বরিশাল অল আউট মোটে ৯৭ রানে। শফিকুল ইসলাম শুরুর তিন উইকেট নিয়ে শুরু করেন ধ্বংসযজ্ঞের। এরপর ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় প্রথম শ্রেণির ম্যাচে খেলতে নামা আরেক পেসার মোহর শেখ তুলে নেন পাঁচ উইকেট।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : জাতীয় ক্রিকেট লিগ মানেই তো সেঞ্চুরির ছড়াছড়ি। কাল থেকে শুরু শেষ রাউন্ডের প্রথম দিনটি অবশ্য তেমন ছিল না। সেঞ্চুরিয়ান শুধু মার্শাল আইয়ুব। বাকিদের মধ্যে ৭২ রানে অপরাজিত জুনায়েদ সিদ্দিকী এবং ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৬৭ রান রাজিন সালেহর। চার ম্যাচে তিনজনের মোটে পঞ্চাশ পেরোনো স্কোর—ব্যতিক্রমই বটে।

বোলারদের রাজত্বের দিনে ব্যাটসম্যানরা সবচেয়ে কোণঠাসা ছিলেন রাজশাহীতে। যেখানে স্বাগতিক বোলারদের তোপের মুখে বরিশাল অল আউট মোটে ৯৭ রানে। শফিকুল ইসলাম শুরুর তিন উইকেট নিয়ে শুরু করেন ধ্বংসযজ্ঞের। এরপর ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় প্রথম শ্রেণির ম্যাচে খেলতে নামা আরেক পেসার মোহর শেখ তুলে নেন পাঁচ উইকেট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের হয়ে ডাক পেয়ে চমক দেখানো এই পেসার কাল করলেন চমক জাগানিয়া বোলিং। তাতেই ৩৮.২ ওভারে ৯৭ রানে অল আউট বরিশাল। জবাবে রাজশাহীর ব্যাটিংও যে খুব ভালো হচ্ছে, তা না। কিন্তু জুনায়েদ এক প্রান্ত আগলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকলে ছয় উইকেটে ১২৪ রানে দিন শেষ করে তারা। লিড হয়ে গেছে ২৭ রানের।

জাতীয় লিগের প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে খুলনা প্রথম দিন শেষ করেছে আট উইকেটে ২১৭ রানে। এনামুল হক (১) ও সৌম্য সরকার (২৬) টপ অর্ডারে ব্যর্থ, দারুণ ফর্মে থাকা তুষার ইমরান রান আউট অল্পে (১৯)। ফলে বড় স্কোর হয়নি খুলনার। তবে ১০০ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর বিবেচনায় দিনশেষে কিছুটা স্বস্তিতেই থাকার কথা তাদের।

দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে সেঞ্চুরি মার্শালের। তাঁর অপরাজিত ১১০ রানে পাঁচ উইকেটে ২৬৫ রানে প্রথম দিন শেষে করে ঢাকা মেট্রো। জাতীয় লিগে এ মৌসুমে নিজের প্রথম ইনিংসে ৫৩ রান করা মোহাম্মদ আশরাফুল এরপর আর হাফ সেঞ্চুরির দেখা পাননি। কাল আউট ৯ রান করে।

কক্সবাজারে নিজের ক্যারিয়ারের শেষটা রাঙিয়ে দেওয়ার দারুণ সুযোগ ছিল রাজিন সালেহর সামনে। ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে ম্যাচে ফিফটিও পেরিয়ে যান; কিন্তু সেঞ্চুরি পর্যন্ত যেতে পারেননি। আউট হয়ে যান ৬৭ রানে। সেটাই কালকের দিনে সিলেটের ইনিংসের সর্বোচ্চ। ছয় উইকেটে ২২০ রান করেছে তারা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (প্রথম দিন শেষে) :

রাজশাহী-বরিশাল : বরিশাল : ৩৮.২ ওভারে ৯৭ (আল-আমিন ২৫; মোহর ৫/২৪, শফিকুল ৩/২০)। রাজশাহী : ৪৪ ওভারে ১২৪/৬ (জুনায়েদ ৭২*, জহুরুল ২৫; মনির ২/৮, কামরুল ২/৪৬)।

খুলনা-রংপুর : খুলনা : ৭৪ ওভারে ২১৭/৮ (মঈনুল ৪৮*, জিয়াউর ৪০; রবিউল ৩/৫৪, তানভীর ২/৩, সাজেদুল ২/৩৯)।

ঢাকা মেট্রো-চট্টগ্রাম : ঢাকা মেট্রো : ৯০ ওভারে ২৬৫/৫ (মার্শাল ১১০*; সাখাওয়াত ২/৭৬)।

সিলেট-ঢাকা : সিলেট : ৯১ ওভারে ২২০/৬ (রাজিন ৬৭, জাকের ৪০*; শুভাগত ২/৩৩, শাহাদাত ২/৫২)।



সাতদিনের সেরা