kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

মুখোমুখি প্রতিদিন

ক্লাবে পারফরম করে দুঃসময় কাটাতে হবে

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্লাবে পারফরম করে দুঃসময় কাটাতে হবে

সাফে নেপালের বিপক্ষে হাস্যকর ভুলে দলকে ডোবানো গোলরক্ষক শহীদুল আলম ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে সময় পার করছেন হয়তো বা। চারদিকে তীব্র সমালোচনার মধ্যেই জায়গা হারালেন তিনি জাতীয় দল থেকে। আবাহনীর এ গোলরক্ষকই কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বললেন সেই প্রসঙ্গে

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের প্রাথমিক দলে আপনাকে রাখা হয়নি, শুনেছেন নিশ্চয়ই?

শহীদুল আলম : না, শুনিনি। হতে পারে। এটা কোচের সিদ্ধান্ত। এখানে আমার আর বলার কী আছে?

প্রশ্ন : এমন কিছুর শঙ্কা করছিলেন নাকি?

শহীদুল : শঙ্কা বলতে আমি কোচকে জানিয়েছিলাম এই সময়ে আমার একটু ব্যক্তিগত প্রয়োজন থাকবে। আমার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা, আগামী ৪ অক্টোবর ওর প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ। এই সময়ে আমার দলে থাকাটা কঠিন হবে বলে জানিয়ে রেখেছিলাম। জানি না কোচ সেটা ভেবেই আমাকে দলের বাইরে রেখেছেন কি না, নাকি আমার পারফরম্যান্সে। যেকোনোটাই হতে পারে। আমি মেনে নিচ্ছি এটা।

প্রশ্ন : কোচ অবশ্য বলেছেন আপনার এখন বিরতি প্রয়োজন, যাতে আরো শক্ত হয়ে ফিরে আসতে পারেন?

শহীদুল : আমিও সেটাই চাই। বঙ্গবন্ধু কাপের দলে থাকতে না পেরে তাই অনুশোচনা করছি না। সবাইকে সন্তুষ্ট করেই আবার আমি জাতীয় দলে ফিরব।

প্রশ্ন : সামনে ক্লাব ফুটবলের লম্বা মৌসুম, আবাহনীর হয়ে নিজেকে মেলে ধরাটাই তো এখন আপনার মূল চ্যালেঞ্জ?

শহীদুল : হ্যাঁ, আমরা বর্তমান লিগ চ্যাম্পিয়ন। শিরোপা ধরে রাখাটা আমাদের সামনে এবার বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক দলই এবার শিরোপার দাবিদার থাকবে। আমি ভালো খেলে ক্লাবকে সাফল্য এনে দিতে পারলে নিশ্চয়ই আবার নিজেকে একটা ভালো অবস্থায় তুলে নিতে পারব। এ জন্য আরো বেশি পরিশ্রম করার জন্যও আমি তৈরি। ক্লাবের কোচিং স্টাফের সঙ্গে আমার দুর্বলতা নিয়ে আবার নতুনভাবে কাজ শুরু করব।

প্রশ্ন : ক্যারিয়ারে এত বাজে সময় বোধ হয় কাটাননি?

শহীদুল : সত্য নয়, আমি আমার ভুলের জন্য সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি। কোচকেও ‘সরি’ বলেছি। বলেছি যেকোনো কারণেই আমার ভুলটা হয়ে গেছে। সামনে চেষ্টা করব আরো ভালোভাবে যেন ফিরে আসতে পারি।

প্রশ্ন : সমালোচনার মুখে কোচ এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন, এমনটা কি আপনার মনে হয়?

শহীদুল : এটা তো কোচের ব্যাপার। ছুটিতে যাওয়ার পর উনার সঙ্গে আমার আর কথাও হয়নি। পেশাদারি দৃষ্টিকোণ থেকে উনি যেকোনো সিদ্ধান্তই নিতে পারেন। আমি যে ভুল করেছি, তার দায় আমি মাথা পেতে নিয়েছে। এ জন্য টিম ম্যানেজমেন্ট যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, আমার বলার কিছু থাকবে না।

 

মন্তব্য