kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শ্রীলঙ্কাকে বিধ্বস্ত করল আফগানিস্তান

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শ্রীলঙ্কাকে বিধ্বস্ত করল আফগানিস্তান

রহমত শাহর ৭২ রান

আফগানিস্তান গড়েছে ২৪৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর। এটাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে তাদের সর্বোচ্চ। আগের সেরা ছিল ২৩২। এটাই পেরিয়ে যেতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। অলআউট হয়েছে ১৫৮ রানে।

 

টসের সময় আবুধাবির তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টস জিতে দ্বিতীয়বার না ভেবে ব্যাটিং নিলেন আফগান অধিনায়ক আসগর আফগান। ব্যাট করতে না পারার আক্ষেপ তখন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের মুখে। আফগানিস্তান গড়েছে ২৪৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর। এটাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে তাদের সর্বোচ্চ। আগের সেরা ছিল ২৩২। এটাই পেরিয়ে যেতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। অলআউট হয়েছে ১৫৮ রানে। ঐতিহাসিক ৯১ রানের জয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করে ফেলেছে আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে বাংলাদেশও।

৪১.২ ওভারে  ১৫৮ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা। বাঁচা-মরার ম্যাচে স্নায়ুর চাপে রান আউট হয়েছেন দুজন। উপুল থারাঙ্গা ৩৬, ডি সিলভা ২৩, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ২২, সেহান জয়াসুরিয়া আউট হয়েছেন ১৪ রানে। ভরসা হয়ে ক্রিজে ছিলেন থিসারা পেরেরা। ২৮ রান করা পেরেরাকে গুলবাদিন নাইব বোল্ড করলে হারটা সময়ের অপেক্ষা হয়ে যায় তাদের। টেলএন্ডারদের নিয়ে তিনি অসাধারণ কোনো ইনিংস খেললেই শুধু সম্ভব শ্রীলঙ্কার জেতা। সেটা হয়নি। মোহাম্মদ নবী ও মুজিব উর রহমান নেন ২টি করে উইকেট। ওয়ানডেতে এর আগে দুইবারের দেখায় শ্রীলঙ্কার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল আফগানিস্তান। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর তাদের অন্য রূপ এবার।

এশিয়া কাপে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। আফগানিস্তান খেলতে এসেছে মাত্র দ্বিতীয়বার। লঙ্কানদের এভাবে বিধ্বস্ত করাটা তাদের জন্য কৃতিত্বের। শ্রীলঙ্কা হেরে যাওয়ায় সুপার ফোর নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের। আর খালি হাতে দেশে ফিরবে চন্দিকা হাতুরাসিংহের শিষ্যরা।

লাসিথ মালিঙ্গাকে আফগানিস্তানের দুই ওপেনার অনেক ভালোভাবে সামলেছেন। প্রথম ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে এই পেসার ছিলেন উইকেটহীন। মোহাম্মদ শাহজাদ ও ইহসানুল্লাহ জানাত উদ্বোধনী উইকেটে গড়েন ৫৭ রানের জুটি। ৪৭ বলে ৩৪ করে আকিলা ধনঞ্জয়ার বলে এলবিডাব্লিউ হন শাহজাদ। তবে ম্যাচজুড়ে মালিঙ্গার বলে ক্যাচ পড়েছে চারটি।

গত দুই বছরের রেকর্ড সমীহ জাগানিয়া আফগানিস্তানের। ৩৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচে জিতেছে ১৯টিতে। টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশকে। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। এবার এশিয়া কাপে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে প্রশংসা পেতেই পারেন রশিদ খানরা। তবে হঠাত্ ব্যাটিংয়ে ধস নামাটা বড় দুর্বলতা হয়ে আছে তাঁদের ক্রিকেটে। গতকালও ১ উইকেটে ১০৭ থেকে ১১০ রানে ৩ উইকেটে পরিণত হয়ে চাপে পড়ে তারা। শাহজাদের পর অন্য ওপেনার ইহসানুল্লাহকেও এলবিডাব্লিউ করেন ধনঞ্জয়া। শুরুতে আম্পায়ার আউট না দিলেও লঙ্কানরা রিভিউ নিলে ফেরেন ৬৫ বলে ৪৫ করা এই ব্যাটসম্যান। অধিনায়ক আসগর আফগান ১ রান করেই এলবি সেহান জয়াসুরিয়ার বলে। ধাক্কাটা সামলান রহমত শাহ। ৯০ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৭২ রান করেন এই মিডলঅর্ডার। ৪০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮৩ রান ছিল আফগানিস্তানের। শেষ ১০ ওভারে আসে ৬৬ রান। থিসারা পেরেরা ৫৫ রানে নেন ৫ উইকেট। ক্রিকইনফো 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা