kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ডি ব্রুইনের দুই ভুবনে হ্যাজার্ড-স্টার্লিং

১৪ জুন, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজ বন্ধু তো কাল শত্রু, আবার উল্টোটাও হরহামেশাই ঘটছে ক্লাব আর আন্তর্জাতিক ফুটবলে। ক্লাববন্ধুর সংখ্যাই বেশি। ঘরোয়া ফুটবলেই সময় বেশি কাটে ফুটবলারদের, বন্ধুত্বের বন্ধনটাও জোরালো হয়। হয়তো সে কারণেই রাহিম স্টার্লিংকে ‘শূলে চড়ানো’ বাদ দিয়ে প্রশংসায় ভিজিয়েছেন কেভিন ডি ব্রুইন। অথচ ২৮ জুন তাঁরাই মুখোমুখি হবেন ভিন্ন দুই দলের জার্সিতে, নক আউট পর্বে উত্তরণের ক্ষেত্রে যে ম্যাচটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণই হওয়ার কথা। তবু এ উদারতা বন্ধুত্বের টানে, রাশিয়ায় কয়েকটি সপ্তাহ কাটিয়েই তো আবার ফিরবেন ম্যানচেস্টার সিটির ডেরায়!

বেলজিয়াম-ইংল্যান্ড ম্যাচটির ফেভারিট ডি ব্রুইনের দলই। তবু ক্লাববন্ধু ইংল্যান্ডের রাহিম স্টার্লিংয়ের প্রশংসায় এতটুকু কার্পণ্য নেই বেলজিয়াম তারকার, ‘ও (স্টার্লিং) একজন বিশেষ খেলোয়াড়। এ বছরটা কী দুর্দান্ত ফুটবল যে খেলছে ও। আমি নিশ্চিত, আরো উন্নতি করবে। সে একজন বিজয়ী।’ এ মৌসুমে দুর্দান্ত তাঁদের ক্লাব ম্যানসিটির ফর্মও। প্রিমিয়ার লিগ জিতেছে হেসে খেলে। ক্লাবের রেকর্ড ভাঙা সাফল্যযাত্রায় ১৮ গোলের সঙ্গে ১১টি অ্যাসিস্টও রয়েছে রাহিম স্টার্লিংয়ের। ডি ব্রুইনের প্রশংসাও তাই নিছকই বন্ধুত্বের সূত্রে নয়।

তবে স্টার্লিংয়ের নৈপুণ্য দেখতে নয়, বড় স্বপ্ন নিয়েই এখন রাশিয়ায় ডি ব্রুইন, ‘এই বেলজিয়াম স্পেশাল একটি দল। আর অবশ্যই আমরা বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া। আমাদের সে বিশ্বাসও আছে।’

তবে বেলজিয়াম তারকার মনে অন্য আশঙ্কাও আছে, ‘(এডেন) হ্যাজার্ড বড় খেলোয়াড়। এমন খেলোয়াড়দের সমস্যা হলো তাদের সবাই টার্গেট করে মারবে। হ্যাজার্ডের পজিশনটাও বিপজ্জনক। তবে এ সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আঘাতপ্রাপ্তের শান্ত থাকা, অন্তত চেষ্টা করে যাওয়া।’ টেলিগ্রাফ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা