kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

পর্যটকে মুখর কুয়াকাটা

জসীম পারভেজ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পর্যটকে মুখর কুয়াকাটা

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে পর্যটকের আগমন বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থনৈতিক গতিশীলতার সঙ্গে ত্বরান্বিত হয়েছে কুয়াকাটা পর্যটনশিল্প। বিগত বছরে বর্ষা মৌসুমে কুয়াকাটা প্রায় পর্যটকশূন্য থাকলেও এখন প্রতিদিন দেশি-বিদেশি হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটছে এখানে। এতে স্থানীয় আবাসিক হোটেল-মোটেল, কটেজ এবং খাবার রেস্তোরাঁসহ সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সরগরম হয়ে উঠেছে। প্রতি সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার মুনাফা অর্জন করতে পারছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

বিজ্ঞাপন

এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে কুয়াকাটা পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার পর্যটক ঢাকা-কুয়াকাটা, কুয়াকাটা-খুলনা, রাজশাহী, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাসযোগে আসছেন। একই সঙ্গে নিজস্ব মিনিবাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার এবং মোটরসাইকেলেও আসছেন পর্যটকরা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পর্যটক আসছেন কুয়াকাটায়। কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল-মোটেল এবং কটেজগুলোতে পর্যটকের উপস্থিতি আগের তুলনায় তিন গুণ বেড়েছে। খাবার হোটেলগুলোতে পর্যটক ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সৈকতসংলগ্ন ঝিনুক, তাত বস্ত্র, আচার এবং শুঁটকি মার্কেটে পর্যটকদের যেন মেলা বসেছে। বেচা-বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। আনন্দ-উল্লাস আর হৈ-হুল্লোড়ে মুখর হয়ে থাকে সমুদ্রসৈকত, ঝাউবাগান, নারিকেলবাগান, গঙ্গামতি, কাউয়ারচর, লেম্পুচর ও ফাতরা বনাঞ্চল।

ঢাকার নিমতলী থেকে আগত পর্যটক মো. দেলোয়ার হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কুয়াকাটার নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে কুয়াকাটায় এসেছি। আমরা এখানে এক সপ্তাহ অবস্থান করব। ’



সাতদিনের সেরা