kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ জুলাই ২০২২ । ২১ আষাঢ় ১৪২৯ । ৫ জিলহজ ১৪৪৩

মোটরসাইকেলের বাজার বড় করবে সংযোগ শিল্প

দেশে মোটরসাইকেল উৎপাদনে সাফল্য দেখিয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ড। এই শিল্পের আরো বিকাশে এখন শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে বলে মনে করছেন টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বিপ্লব কুমার রায়। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসুদ রুমী

২৩ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মোটরসাইকেলের বাজার বড় করবে সংযোগ শিল্প

কালের কণ্ঠ : মোটরসাইকেল ব্যবসায় আপনাদের শুরুটা কিভাবে?

বিপ্লব কুমার রায় : টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশ ও ভারতের একটি যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। টিভিএস সুন্দারাম আইঙ্গার অ্যান্ড সন্স প্রাইভেট লিমিটেড, ইন্ডিয়া আর রিয়ান মোটরস লিমিটেড (সনি র্যাংগসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান)—এই দুই উদ্যোগের যৌথ শিল্পরূপের যাত্রা শুরু ২০০৭ সালে। এর মূল প্রতিষ্ঠান টিভিএস গ্রুপ ১৯১১ সালে এই ভারতবর্ষে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। গত ১৫ বছরের মধ্যে টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড বিক্রির সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ সরকারকে রাজস্ব দিয়ে আসছে।

বিজ্ঞাপন

 

কালের কণ্ঠ : দেশে মোটরসাইকেলের বাজারের আকার কেমন? গত তিন বছরে পুরো খাতে বিক্রির পরিমাণ কেমন ছিল?

বিপ্লব কুমার রায় : ২০১৯ সালে এটি সাড়ে পাঁচ লাখে উঠে আসে। ২০২০ সালে আমরা আশা করছিলাম যে মোটরসাইকেলের মার্কেট সাড়ে ছয় লাখে পৌঁছবে। কিন্তু করোনার ধাক্কায় ২০২০ সালে মোটরসাইকেলের বিক্রি কমে ১১ শতাংশের মতো। ২০২১ সালে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয় দেশে। বার্ষিক গড়ে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে আমাদের।

 

কালের কণ্ঠ : আপনাদের উদ্ভাবনী কী পণ্য এসেছে? বছর শেষে কেমন বিক্রি আশা করছেন?

বিপ্লব কুমার রায় : তরুণ প্রজন্মের চাহিদা মেটাতে আমরা প্রথম নিয়ে এসেছি অ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ ফোর ভি, সঙ্গে ব্লুটুথ সংযোগ স্থাপনে সক্ষম স্মার্ট-এক্স-কানেক্ট টেকনোলজি। সম্প্রতি টিভিএস তাদের ১২৫ সিসি সেগমেন্টে বিভিন্ন ফিচার সংবলিত টিভিএস রেইডার লঞ্চ করেছে। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে মোটরসাইকেলের বিক্রি পাঁচ লাখ ছাড়াতে পারে।

 

কালের কণ্ঠ : এবারের বাজেট মোটরসাইকেলশিল্প কতটা সহায়ক?

বিপ্লব কুমার রায় : মহামারির শুরুর দিকে ব্যবসা একেবারে থেমে গিয়েছিল। পরে বেচাবিক্রিতে গতি এসেছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় মোটরসাইকেল উৎপাদন খরচ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেড়ে গেছে। সব মিলিয়ে সব কম্পানিই চাপে পড়ে গেছে।

 

কালের কণ্ঠ : স্থানীয়ভাবে মোটরসাইকেল উৎপাদনে সম্ভাবনা কতটুকু ও সমস্যাগুলো কী?

বিপ্লব কুমার রায় : বাংলাদেশে যে মোটরসাইকেল কারখানা হতে পারে, দেশেও উৎপাদন হতে পারে, তা এখন প্রমাণিত। এই শিল্পের প্রতিবন্ধকতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মূলধন ও ঋণ সুবিধা। যারা এই শিল্প নিয়ে এবং এর ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ নিয়ে কাজ করতে চায়, তাদের সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে মূলধনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। মোটরসাইকেল তৈরিতে ভেন্ডরনির্ভর ও শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প গড়ে তুলতে হবে।

 



সাতদিনের সেরা