kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

বিপদে হাতের নাগালে ‘উবার’ ‘পাঠাও’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকায় তীব্র গণপরিবহন সংকটের মধ্যে ২০১৬ সালের শেষ দিকে অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবা শুরু হয়। বিআরটিএর কাছে এ যাবৎ ১০টি প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন ও লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছে। এরই মধ্যে ‘উবার’ ও ‘পাঠাও’-এর মতো কিছু প্রতিষ্ঠানের অ্যাপভিত্তিক পরিবহনসেবা রাজধানীবাসীর ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজধানীতে নিবন্ধিত গাড়ির মধ্যে প্রায় সাত লাখ গাড়ি অ্যাপভিত্তিক সেবার আওতায় আনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল রয়েছে চার লাখের ওপর। অলস সময়ে এসব গাড়ি ব্যবহার করে গণপরিবহনের সংকট কিছুটা হলেও নিরসন সম্ভব হবে। উবারের সেবাগ্রহীতা বাড়ছেই।

অ্যাপল স্টোর বা গুগল প্লে থেকে উবার ও পাঠাওয়ের ফ্রি অ্যাপ ডাউনলোড করা যায়। ফোন নম্বর ও ই-মেইল ব্যবহার করে বিনা পয়সায় নিবন্ধন বা সাইন আপ করা যায়। গন্তব্য নির্বাচন করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই চালক পৌঁছে যায় যাত্রীর কাছে, যাত্রা শেষে নগদে ভাড়া মিটিয়ে দিলেই হলো। কত ভাড়া দিতে হবে তা ফোনের স্ক্রিনে চলে আসে বলে ভুল-বোঝাবুঝির সুযোগ নেই। উবারের নিজস্ব কোনো ট্যাক্সি বা প্রাইভেট কার নেই। ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরাও অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধনের মাধ্যমে উবারের পার্টনার হয়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরেক প্রতিষ্ঠান ডাটাভক্সেল ইনকরপোরেটের সহযোগিতায় ডাটা ভক্সেল লিমিটেড ঢাকায় ‘স্যাম’ অ্যাপসভিত্তিক মোটরসাইকেল সেবা দিচ্ছে ২০১৬ সাল থেকে। দেশেই তৈরি করা হয়েছে ‘স্যাম’ অ্যাপস। মোটরসাইকেল চালকরা স্মার্টফোনে ‘স্যাম বাইকার’ ও  যাত্রীরা ‘স্যাম রাইডার’ নামে অ্যাপস চালু রাখছে। গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ দুটো ডাউনলোড করা যাচ্ছে।

মন্তব্য