kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ আগস্ট ২০২২ । ১ ভাদ্র ১৪২৯ । ১৭ মহররম ১৪৪৪

গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল

বাংলাদেশে জ্বালানি নিরাপত্তায় অবদান রাখছে

১২ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হাইড্রোকার্বন ক্ষেত্রগুলোর অনুসন্ধান, অন্বেষণ এবং উন্নয়নে পিজেএসসি গ্যাজপ্রমের বিদেশি প্রকল্প পরিচালনাকারী গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল। তিনটি মহাদেশের ১০টি দেশে এই কম্পানির উপস্থিতি রয়েছে। এবং প্রায় ২০টি বিভিন্ন মাপের প্রকল্প বাস্তবায়নে এটি অংশগ্রহণ করেছে।

গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) প্রধান অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল ৫০ হাজার মিটারের কূপসহ আটটি গ্যাসক্ষেত্রে ১৭টি অনুসন্ধান এবং অপারেশনাল কূপ নির্মাণ করেছে। স্বল্পতম সময়ে উপযুক্ত নকশা ও অপ্টিমাইজেশন প্রযুক্তির কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি জাতীয় গ্যাস উত্তোলনে ১০ শতাংশের বেশি যোগ করেছে।

গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত খনন ভোলা দ্বীপের উল্লেখযোগ্য হাইড্রোকার্বন সম্ভাবনা নিশ্চিত করেছে। ২০১৮ সালে শাহবাজপুর মাঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে নর্থ ভোলা ফিল্ড আবিষ্কার করে। জ্বালানি সম্পদের জন্য বাংলাদেশের জরুরি চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ভোলা দ্বীপ এবং এর সংলগ্ন অঞ্চলগুলোর ভূতাত্ত্বিক জরিপ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি শাহবাজপুর এবং নর্থ ভোলা গ্যাসফিল্ডের সক্রিয় উন্নয়ন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল এই উদ্যোগে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছে। এর ফলে ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল ও বাপেক্স ভোলার মাঠ মূল্যায়নের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। ভবিষ্যত্ অনুসন্ধান, অন্বেষণ এবং হাইড্রোকার্বন উত্পাদনের ভোলা দ্বীপের বিদ্যমান ক্ষেত্র এবং সম্ভাব্য এলাকার সম্ভাব্যতা অনুমান করতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। এখন রাশিয়ান পক্ষ বাপেক্সের সহকর্মীদের দ্বারা সরবরাহ করা হালনাগাদ তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বিশাল শ্রেণিবিন্যাস অধ্যয়ন করছে। পরবর্তী পদক্ষেপটি হবে একটি সম্ভাবনা এবং অনুসন্ধান কৌশলের বিকাশ। সেই সঙ্গে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের প্রাথমিক ধারণা নির্ধারণ করা।

২০২১ সালের জুলাইয়ে গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল ও বাপেক্স ভোলায় তিনটি নতুন কূপ নির্মাণের জন্য একটি অতিরিক্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে। এগুলো হলো অনুসন্ধান কূপ তবগী-১, ইলিশা-১ এবং মূল্যায়ন কূপ উত্তর ভোলা-২। প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য অনুসারে, প্রতিটি কূপের গভীরতা হবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মিটার। প্রকল্পটি এর মধ্যে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে প্রস্তুতিমূলক কাজ, ড্রিলিং মেশিন পরীক্ষা এবং সাইট প্রস্তুতির কাজ চলছে।

গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনালের স্বার্থ শুধু উপরোল্লিখিত প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কম্পানিটি বাংলাদেশে তার উপস্থিতি এবং পরিষেবার পরিসর সম্প্রসারণের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে। গ্যাজপ্রম ইপি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের টেকসই উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী।



সাতদিনের সেরা