kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

১৯ মাস পর চেনারূপে ঢাবি ক্যাম্পাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৯ মাস পর চেনারূপে ঢাবি ক্যাম্পাস

প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে পাঠদান। ছবি : কালের কণ্ঠ

লাল বাসে প্রিয় ক্যাম্পাসে, ক্লাসের ফাঁকে টিএসসি, হাকিম চত্বর কিংবা বটতলায় চুটিয়ে আড্ডা, লাইব্রেরিতে নোট নেওয়ার দিনগুলোয় আবার ফিরেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর গতকাল রবিবার শুরু হয়েছে সশরীরে পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘদিন বিরতির পর সশরীরে ক্লাসে ফিরে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। কলা ভবন, কার্জন হল, টিএসসি ক্যাফেটেরিয়া, ডাকসুর ক্যান্টিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রাঙ্গণ ভরে উঠেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পদচারণে।

গতকাল সকাল ৮টা থেকেই ক্লাসে ফিরতে শুরু করেন বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। এর আগে ৫ অক্টোবর স্নাতকোত্তর ও স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় আবাসিক হলগুলো। বাকি বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খোলা হয় ১০ অক্টোবর।  

গতকাল সকালে সশরীরে পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান।  কলা ভবনের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় কলা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূইয়া, প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে উপাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী করোনার অন্তত এক ডোজ টিকা গ্রহণ করেছে। এ কারণে সশরীরে পাঠদান ও পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলো। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে একাডেমিক কাউন্সিলের ‘লস রিকভারি প্ল্যান’ অনুসরণ করা হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউট ঘুরে দেখা গেছে, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল বাসে করে, কেউ রিকশায়, কেউ হল থেকে হেঁটে প্রিয় শ্রেণিকক্ষে ফিরেছেন। সবার মুখে ছিল মাস্ক। অনুষদগুলোর প্রবেশমুখে তাপমাত্রা মাপা হয়েছে। রাখা হয়েছে হাত ধোয়ার বেসিন। তবে এখনো বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলোতে পুরোদমে ক্লাস শুরু হয়নি। বেশ কয়েকটি বিভাগে সশরীরে নিতে দেখা গেছে আটকে থাকা পরীক্ষা।

দীর্ঘদিন পর ক্লাসে ফিরে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া জাহান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অনেক দিন পর লাল বাসে মিরপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি। মহামারিকালে কয়েকবার ক্যাম্পাসে এলেও লাল বাসে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আসার মতো অনুভূতি হয়নি।’



সাতদিনের সেরা