kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

আলোচনা হবে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা নিয়ে

বরিস জনসন ও ম্যাখোঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা

মেহেদী হাসান   

১৮ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসছেন এই দেশগুলোর নেতারা। বাংলাদেশের সঙ্গে এই দেশ দুটির কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রায় পাঁচ দশক পূর্ণ হতে চলেছে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে সম্ভাবনা ও অগ্রযাত্রার দেশ। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগসহ উন্নয়ন সহযোগী ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর ভূমিকারও পরিবর্তন হয়েছে। এমন পরিবর্তিত বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনায় আগামী দিনগুলোতে সহযোগিতার নতুন খাতের বিষয়গুলো থাকতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আগামী ৩১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যে যাবেন। ১ থেকে ৩ নভেম্বর জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বৈঠকের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী ৯ নভেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে যাবেন। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠকে জলবায়ু ইস্যু বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। এ ছাড়া আলোচনা হতে পারে কভিড মোকাবেলায় সহযোগিতা, ব্রেক্সিট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য জোরদার করা এবং অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার মতো বিষয়ে।

এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসন্ন বৈঠককে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক কোনো সফরে ফ্রান্সে যাচ্ছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে শেখ হাসিনার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি হবে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এলিসি প্রাসাদে। যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের কাছে তাদের প্রতিবেশী ও ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি ফ্রান্সের গুরুত্ব আরো বেড়েছে।

জানা গেছে, ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনায় বাণিজ্য, জলবায়ুর পাশাপাশি নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতাও বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। ফ্রান্স বাংলাদেশের কাছে সমরাস্ত্র বিক্রি করতে চায়। এ ছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও আফ্রিকায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারেও ফ্রান্স সহযোগিতা করতে পারে। আফ্রিকা মহাদেশের বেশ কয়েকটি দেশ ফ্রান্সের সাবেক উপনিবেশ হওয়ায় তাদের ওপর দেশটির লক্ষণীয় প্রভাব রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ফ্রান্সে আগামী ১১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সৃজনশীল অর্থনীতিবিষয়ক ইউনেসকো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার’ দেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা