kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

বাজার ঘুরে

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



স্যামসাং

 

স্যামসাংয়ের বেশ কয়েকটি মডেল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এসবের দাম ৬৬ হাজার ৯০০ টাকা থেকে এক লাখ পাঁচ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে।

 

হিটাচি

এই ব্র্যান্ডের মডেলগুলোর দাম ৬৭ হাজার ৯০০ টাকা থেকে এক লাখ দুই হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে।

 

প্যানাসনিক

প্যানাসনিকের দুটি মডেল আছে। এগুলোর দাম ৮৭ হাজার থেকে ৯৬ হাজার টাকার মধ্যে। মডেল অনুসারে এসব এসিতে তিন হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে।

 

ট্রান্সকম ডিজিটাল

বাজারের ট্রান্সকম ডিজিটালের একই ছাদের নিচে মিলবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এসি। এগুলোর মধ্যে ওয়ার্লপুল, ট্রান্সটেক, স্যামসাং, প্যানাসনিক, হিটাচি অন্যতম। বাসার জন্য ওয়ার্লপুলের রয়েছে তিনটি মডেল। এগুলোর দাম ৫৮ হাজার থেকে ৯৪ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে। ট্রান্সটেকের নিজস্ব মডেলগুলোর দাম ৫১ হাজার ৪০০ থেকে ৮২ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে। স্যামসাংয়ের বেশ কয়েকটি মডেলে এসি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এই এসিগুলোর দাম ৬৬ হাজার ৯০০ থেকে এক লাখ পাঁচ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে। হিটাচি এসিগুলোর দাম ৬৭ হাজার ৯০০ থেকে এক লাখ দুই হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে। প্যানাসনিক দুটি মডেল আছে। এগুলোর দাম ৮৭ হাজার থেকে ৯৬ হাজার টাকার মধ্যে। মডেল অনুসারে এসব এসিতে তিন হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়।

 

মিনিস্টার ও মাই ওয়ান

মিনিস্টার ও মাই ওয়ান একই গ্রুপের দুই আলাদা ব্র্যান্ড। এই দুই ব্র্যান্ডে ১০ মডেলের এসি রয়েছে। এসব মডেলের মধ্যে কমপ্রেসর ১০ বছরের, কনডেনসার তিন বছরের গ্যারান্টি আছে। ছয় মাসের মধ্যে রিপ্লেসমেন্ট ব্যবস্থাও আছে। মিনিস্টার ও মাই ওয়ান পার্ক ভালুকা ব্রাঞ্চের ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হক জানান, ‘বিভিন্ন মডেলের এসি চার টন পর্যন্ত হয়। এগুলোর দাম পড়বে ৪১ হাজার ৯৩৫ থেকে এক লাখ ৬২৫ টাকার মধ্যে। এর মধ্যে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যুক্ত আছে।’

 

ভিশন

ভিশনের তিন ধরনের এসি রয়েছে। এগুলো এক থেকে পাঁচ টনের মধ্যে। দাম পড়বে ৩৫ হাজার থেকে এক লাখ ৬২ হাজার টাকার মধ্যে।

 

এলজি

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সুপারমার্কেটের গ্যালাক্সি ইলেকট্রনিকসের বিক্রয়কর্মী  মাহামুদ হোসেন বলেন,  এলজির তিন ধরনের এসি আছে। এদের দাম পড়বে ৬৪ হাজার ২২৫ থেকে এক লাখ তিন হাজার ৯২৫ টাকা।

 

গ্রি

গ্রির ছয়টি মডেলের এসি বাজারে পাওয়া যায়। এগুলো মডেল অনুসারে এক টন থেকে পাঁচ টন পর্যন্ত হয়। দাম ৪২ হাজার থেকে এক লাখ ৭৭ হাজার টাকার মধ্যে।

 

জেনারেল

জেনারেল এসির ছয়টি মডেল বাজারে পাওয়া যায়। এগুলো ৬৪ হাজার থেকে দুই লাখ ২৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। 

 

শার্প

সার্পের বিভিন্ন ধরনের এসি পাওয়া যাবে ৩৮ হাজার থেকে ৮৮ হাজার ৩৫০ টাকার মধ্যে। এই এসিগুলো কেনার জন্য কিস্তির সুবিধা পাওয়া যাবে। শূন্য শতাংশ হারে ১২ মাসের ইএমআই সুবিধা রয়েছে। জিপি স্টার গ্রাহকদের ক্ষেত্রে রয়েছে ৫ শতাংশ ছাড়।

 

ওয়ালটন

এ বছর ওয়ালটন স্থানীয় বাজারে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ১ টন, ১.৫ টন ও ২ টনের মোট ১৫ মডেলের স্প্লিট এসি ছেড়েছে। এসব এসির দাম ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ৭৬ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে। স্প্লিট এসির পাশাপাশি চার ও পাঁচ টনের সিলিং ও ক্যাসেট টাইপ এসিও উৎপাদন এবং বাজারজাত করছে ওয়ালটন। ওয়ালটন আরো তৈরি করছে ১৭ থেকে ২৫ টনের সিঙ্গেল মডিউলার ভিআরএফ এসি। মাঝারি স্থাপনায় কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হবে এসব এসি। একই সময়ে পুরো ভবনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে এ প্রযুক্তি। অর্থাৎ একটি ভবনের ইনডোর এয়ারকন্ডিশনিং ইউনিটগুলোকে একটি সেন্ট্রাল কন্ট্রোল সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। ওয়ালটনের ভিআরএফ এসিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কমফোর্ট কুলিং এবং ডুয়াল সেন্সিং সিস্টেম। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী ঠাণ্ডা ও গরম বাতাস পাওয়া যাবে।

ওয়ালটনের ইনভার্টার এসির কম্প্রেসারে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বে স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৪১০এ রেফ্রিজারেন্ট।

ছয় মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি ছাড়াও ওয়ালটন এসির কমপ্রেসরে ১০ বছরের গ্যারান্টি সুবিধা দিচ্ছে। এ ছাড়া এক বছরের ফ্রি হোম সার্ভিসসহ তিন বছরের বিনা মূল্যের বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন ক্রেতারা।

এসিতে বেশ কিছু সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। এখন ওয়ালটন এসি কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন পুরো এক বছরের বিদ্যুৎ বিলের সমপরিমাণেরও বেশি টাকা ফ্রি পাওয়ার সুযোগ। তা ছাড়া চলছে প্রতিষ্ঠানটির ‘এসি এক্সচেঞ্জ অফার’। এর আওতায় যেকোনো ব্র্র্যান্ডের ব্যবহৃত এসি বদলে নতুন এসি দিচ্ছে তারা। ওয়ালটন প্লাজা ও শোরুমে পুরনো এসি জমা দিয়ে গ্রাহকরা ওয়ালটনের যেকোনো মডেলের নতুন এসি কিনতে পারবেন। পুরনো এসি জমা দিলে গ্রাহক তাঁর পছন্দকৃত নতুন ওয়ালটন এসির মূল্য থেকে ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।

এর পাশাপাশি দেশব্যাপী চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন চারের আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা বা পরিবেশক শোরুম থেকে এসি কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন সর্বোচ্চ এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচারসহ মোটরসাইকেল, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, টিভিসহ অসংখ্য হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস ফ্রি।

 

পাওয়া যাবে কোথায়

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম মার্কেট, গুলশান, ধানমণ্ডি, বসুন্ধরা, বনানী, রামপুরা, কাকরাইল, পুরান ঢাকা, শ্যামলী, মিরপুর, উত্তরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমে এয়ারকন্ডিশনার পাওয়া যায়।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মার্কেটে বেশির ভাগ এসিতে কিস্তি, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডে কেনার সুযোগ রয়েছে। প্রায় সব কম্পানির এসিতে ফ্রি হোম ডেলিভারির সুবিধা রয়েছে। ব্র্যান্ড অনুসারে বিভিন্ন এসির কমপ্রেসরের তিন বছর থেকে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি  এবং সারা জীবন  ফ্রি সার্ভিস সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা