kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নূরুল হুদার দেখা পেয়েছিল মাহবুবা

মো. নাহিদ হাসান, রংপুর

৭ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নূরুল হুদার দেখা পেয়েছিল মাহবুবা

কাজী নজরুল ইসলাম

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধন-হারা’। এই উপন্যাসের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলামের সামরিকজীবনের অভিজ্ঞতার ছাপ রয়েছে। এটি মূলত যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় প্রেমের আখ্যান। নূরুল হুদা ও মাহবুবা একে অন্যকে পছন্দ করে।

বিজ্ঞাপন

তাদের বিয়ের তোড়জোড় শুরু হয়। এক পর্যায়ে নূরুল বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগদান করে। নূরুল সেনাবাহিনীতে যোগদানের পেছনে দেশ ও জাতিকে রক্ষার কোনো তাগিদ ছিল না। মাহবুবা, রাবেয়া ও সাহসিকা বাল্য সখি ও তাদের মধ্যে পত্রে যোগাযোগ হয়। সাহসিকা তার নামের মতোই সাহসী ও প্রতিবাদী। চিরকুমারী সাহসিকা নারীদের ওপর অন্যায়ের প্রতিবাদ করে। মাহবুবা নূরুল হুদাকে প্রচণ্ড ভালোবাসে। কিন্তু নূরুল হুদা কোনো বাঁধনে জড়াতে চায় না। অবশেষে মাহবুবার বিয়ে হয়ে যায় চল্লিশোর্ধ্ব এক জমিদারের সঙ্গে। কিছুদিন বাদে মাহবুবা বিধবা হয়ে যায়। নূরুল হুদাকে সে লেখে যে সে মক্কা ও মদিনায় তীর্থভ্রমণে যাবে এবং নূরুল হুদার কর্মস্থল বাগদাদেও যেতে পারে। নূরুল হুদা মাহবুবাকে নিষেধ করে না। তাদের দুজনার দেখা হওয়ার সম্ভাবনার মাধ্যমেই শেষ হয় উপন্যাসটি।



সাতদিনের সেরা