kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

রান্না যার কাছে শিল্প

সুলতানা প্রত্যাশা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রান্না যার কাছে শিল্প

কল্লোল লাহিড়ী

আপনি যদি খাদ্যরসিক হন, তাহলে নিশ্চিত করেই বলা যায় কল্লোল লাহিড়ীর ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ উপন্যাসটি আপনার মন ভরাবে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ইন্দুবালা রাঁধতে ভীষণ ভালোবাসত। অনেকে যেমন ছবি আঁকে, গান গায়, নকশা করে, নাচে বা লিখে আনন্দ পায়, ইন্দুবালাও তেমনি রেঁধে মনের ভার কমায়। রান্না তার কাছে শিল্প।

বিজ্ঞাপন

ইন্দুবালার হোটেলের বিউলির ডাল, নলেন গুড়ের রুটি, আম তেল, এঁচোড়ের ডালনা, মোচার ঘণ্ট, মালপোয়া, আনারসের চাটনি, কাঁঠালের ক্ষীর, চিংড়ির হলুদ গালা ঝোল, সোনা মুগের ডাল, বেগুনের টক ও কচুবাটা। উপন্যাসটির অধ্যায়গুলো ভাগ করা খাবারের নামে। প্রতিটি চ্যাপ্টারে রয়েছে সেই খাবারের সঙ্গে তার শৈশব স্মৃতি আর বর্তমানের মিশেল। কেমন করে ইন্দুবালার খুলনায় বেড়ে ওঠা, সেখান থেকে কলকাতায় বিয়ে করে আসা, বিধবা হয়ে বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে মুখ থুবড়ে না পড়ে হোটেল গড়ে তোলা এবং ক্রমে সাধারণ থেকেও রান্নার মাধ্যমে অসাধারণ হওয়া—সব কিছুই চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। খুলনার কলাপোতা গ্রাম, বোসদের পুকুর, পুজো, ছেনো মিত্তির লেন, ঠাম্মা, পরিবার, মনিরুলকে ভালোবাসার, তার সখী লছমির, হোস্টেলের ছেলেপুলেদের কথাও আছে। আসলে ইন্দুবালার মধ্য দিয়ে দুই বাংলার ভাগ হওয়ার গভীর বেদনাবোধ ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক।

অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক



সাতদিনের সেরা