kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ঠগীদের উৎপাত বন্ধ হলো কী করে?

আজিজুর রহমান, নারিকেলবাড়িয়া, যশোর

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঠগীদের উৎপাত বন্ধ হলো কী করে?

শ্রীপান্থ

শ্রীপান্থ একাধারে লেখক, ঐতিহাসিক ও সাংবাদিক। তাঁর বিখ্যাত ‘ঠগী’ বইটি মূলত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। বহু তথ্য-উপাত্তের সন্নিবেশের ফলে অনেক সময় ইতিহাসনির্ভর বই সাধারণ পাঠকের দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু এই বই সেই জটিলতা থেকে মুক্ত।

বিজ্ঞাপন

বরং সুখপাঠ্য। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে নানা অস্থিরতার মাঝে এক বিশেষ সম্প্রদায় বিরাজমান ছিল। তাদের নাম ‘ঠগী’। সহজভাবে ঠগী বলতে বোঝায় যে ঠকায়। মানুষকে খুন করাই তাদের পেশা। ঠগীদের খুন করার পদ্ধতিও ছিল চমকপ্রদ। তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী কিংবা সাধারণ মানুষের মতো দলবদ্ধভাবে ঠগীরা অসহায় পথিকদের সঙ্গী হতো। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে কোনো নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ ফাঁস পদ্ধতিতে পথিকদের নিঃশেষ করে ফেলত। এ ঘটনা চলেছে বছরের পর বছর। হাজার হাজার পথিকের কোনো নিশানা মিলত না। ১৭৪০ থেকে ১৮৪০—এই ১০০ বছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষের প্রাণ গেছে ঠগীদের হাতে। লেখক এই বইয়ে ঠগীদের উদ্ভব, প্রকার, জাতি, ভাষা, ধর্ম, রীতিনীতি সবই তুলে ধরেছেন। কিন্তু ঠগীদের উৎপাত বন্ধ হলো কী করে? স্যার উইলিয়াম হেনরি স্লিম্যান নামের এক খেপা ইংরেজের অমানুষিক পরিশ্রমে ঠগীরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় ভারতবর্ষ থেকে। এই ভদ্রলোকের জীবনের নানা বাঁকবদল সম্পর্কে পাঠকদের অবহিত করেছেন শ্রীপান্থ।



সাতদিনের সেরা