kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

প্রাকৃতিক ব্যাসবাক্যরাশি

মাসুদ খান

১২ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



প্রজাপতি—বসন্তের চিয়ারলিডার—তার যুগল ডানার ঝলমলে মেধা,

ছাতিমের বোকা-বোকা ঘ্রাণ, জোনাকির জৈব জ্যোতি...সব যেন

জঙ্গলের মর্মধ্বনি হয়ে প্রতিধ্বনিত, রাতের এই প্রথম খণ্ডের

সুরেলা ঝংকার-তোলা ভূমিকাপৃষ্ঠায়। ভোর-অভিমুখে রাত্রিহৃদয়ের যে শোভাযাত্রা, এই সবই যেন তার নিঃশব্দ মহড়া।

 

তবে সকালের দিকে যেই শুরু হবে বিছুটিলতার উচ্চকিত আস্ফাালন,

অমনি তার চারপাশে কাঁটার সাঁড়াশিসহ ঘনিয়ে আসবে তার যত দোষগ্রাহীগণ—কাঁটাবেত, কুসুম্ভা, ক্যাকটাস...।

 

ইগলুর ভেতর থেকে মৃদু চর্বি-পোড়ানো আলোর সঙ্গে ছিটকে বেরিয়ে আসে এস্কিমোর হাসিমেশা অবোধ্য ভাষার কিছু কথা,

সে কথার ভেতরে যেমন অভাবিতভাবে বেজে ওঠে দু-একটি স্পষ্ট বাংলা, 

বিছুটির সঙ্গে সেইভাবে কথা হবে কাঁটাবেত ও ক্যাকটাসের।

বিজ্ঞাপন

 

বন-বরইয়ের ডালে বসা এক অস্থির বুলবুলি

তাকাবে তির্যক চোখে, সকপটে,

একবার তেলাকুচা ফলটির দিকে, আর বার শতপদী পোকাটির প্রতি।

দ্বান্দ্বিক দৃষ্টির ফাঁদে পড়ে যাবে পোকা আর পাকা ফল যুগপৎ।  

 

সারাটা দুপুর সন্ত্রাসের পরে

গাত্র থেকে গুণ্ডাগন্ধ ঝেড়ে ফেলে ক্লান্ত হাঁড়িচাঁচা

কিছুটা সুস্থির হয়ে বসবে বিকেলে, ডুমুরের উঁচু ডালে।   

 

আর

এই সব কিছুর স্পষ্ট সাফাই হিসেবে

অদূরে বাতানুকূল বটগাছটির নিচে বইবে মৃদু মর্মরমনস্ক হাওয়া।



সাতদিনের সেরা