kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ আগস্ট ২০২২ । ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১২ মহররম ১৪৪৪

রসিক বাঙালির গল্প

আজিজুর রহমান, যশোর   

১ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রসিক বাঙালির গল্প

জসীমউদ্দীন

কবিতার বাইরে জসীমউদ্দীনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ লোকসাহিত্য সংগ্রহ। বাংলা লোকসাহিত্যের মধ্যে গান বা গীতিকাই প্রধান। এসবের অন্যতম সংগ্রাহক দীনেশচন্দ্র সেন। তাঁর সঙ্গে জসীমউদ্দীন কাজ করেছিলেন বেশ কিছুদিন।

বিজ্ঞাপন

সংগ্রহ করেন অজস্র গান। তার থেকে প্রকাশ করেন দুটি বই ‘জারি গান’ ও ‘মুর্শিদা গান’। তারও আগে প্রকাশ করেন লোকগল্পের বই ‘বাঙ্গালীর হাসির গল্প’। দুই খণ্ডে। ১৯৬০ ও ১৯৬৪ সালে এ প্রসঙ্গে লেখক বলেছেন, ‘এগুলি আমাদের গ্রামদেশে এর মুখে, ওর মুখে, তার মুখে ছড়াইয়া ছিল। আমি নানা গ্রামে ঘুরিয়া, নানা লোকের সঙ্গে মিতালি করিয়া, এমনি প্রায় শ-দুই গল্প শুনিয়াছি। ...সেগুলি হইতে বাছিয়া এই বাঙ্গালীর হাসির গল্পে সাজাইয়া দিলাম। ’ বইটিতে লেখক তুলে আনেন গ্রামবাংলায় প্রচলিত মজার সব গল্প। যেমন—ওই ‘আয়না’ গল্পটা। এক চাষি জীবনে কখনো আয়না দেখেনি। ওটাতে নিজের মুখ দেখে ভাবে, মৃত বাবা তাকে দেখছে। যত্ন করে লুকিয়ে রাখে। আর বউ দেখে ভাবে, অন্য মেয়েকে লুকিয়ে রেখেছে। তাই নিয়ে কী ঝগড়া! আবার ওই ‘নাপিত-ডাক্তার’ যেমন। না জেনেবুঝে কত লোকেরই পিঠের ফোঁড়া ক্ষুর দিয়ে কেটে দিয়েছিল। যেই না আসল ডাক্তার তাকে পড়িয়ে-শিখিয়ে দিল, আর তার হাত চলে না ভয়ে! এমনই সব হাসির গল্পের সংকলন দুই খণ্ডের এই বই।



সাতদিনের সেরা