kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

মানুষের জীবন একটা চক্রের মতো

আমান উল্লাহ, যশোর

২০ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানুষের জীবন একটা চক্রের মতো

হুমায়ূন আহমেদ

একটা পরিবার, একজন মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া আর তারপর অনাদিকাল থেকে অপেক্ষা। একজন স্ত্রীর তার স্বামীর ফিরে আসার অপেক্ষায় সন্তানদের প্রতি অনীহা, সন্তানদের বাবা ফিরে এলে আবার মাকে আর শৈশবের দিনগুলো ফিরে পাওয়ার যে অপেক্ষা, তা বোধ হয় বেঁচে থাকার টনিক। অপেক্ষা আছে বলেই বোধ হয় জীবনের কোনো না কোনো বাঁকে আমরা আশা বেঁধে রাখি, ঠিক যেন এখনো জাদুর কাঠি দিয়ে সব কিছুর ভোলবাজি পাল্টে যাবে। কিন্তু আসলেই কি তাই? হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য উপন্যাসের মতোই ‘অপেক্ষা’ উপন্যাসটির প্রেক্ষাপটও একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে ঘিরে।

বিজ্ঞাপন

উপন্যাসটিতে একই সঙ্গে মধ্যবিত্তের টানাপড়েন এবং প্রিয় মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার নিদর্শন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সুরাইয়া বিশ্বাস করে তার স্বামী হাসানুজ্জামান একদিন ফিরে আসবে। আর এই অপেক্ষায়ই সে বছরগুলো পার করে দেয়। অপমান সইতে না পেরে একসময় আত্মহননের পথ বেছে নেয় সুপ্রভা। লেখক বলছিলেন, ‘পেন্সিলে আঁকা ছবি পছন্দ না হলে রাবার দিয়ে ঘসে তুলে ফেলা যায়। অপছন্দের কথা মুছে ফেলার কোনো ব্যবস্থা নেই, থাকলে সুপ্রভার জন্য খুব ভালো হতো। ’ আসলে মানুষের জীবন একটা চক্রের মতো। সবাই এই রহস্যময় চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। এই চক্র চলছে তো চলছেই। আর এই জীবনে অপেক্ষা হচ্ছে বেঁচে থাকার টনিক।

অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক



সাতদিনের সেরা