kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

মুণ্ডাদের অবদমিত স্বরে অধিকারের ধ্বনি

ওবায়দুর রহমান, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২১ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মুণ্ডাদের অবদমিত স্বরে অধিকারের ধ্বনি

মহাশ্বেতা দেবী

মহাশ্বেতা দেবীর কথাসাহিত্যের বড় অংশজুড়ে আছে আদিবাসীরা। গত শতাব্দীর ষাটের দশকের নানা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল আদিবাসী অঞ্চল। মহাশ্বেতা দেবীর আদিবাসী যোগের সূত্রপাত ওই সময়ে।   ১৯৭৫ সালে একটি পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ‘অরণ্যের অধিকার’।

বিজ্ঞাপন

সেই অধিকারের প্রশ্ন তারপর তাঁর লেখায় উচ্চারিত হতে থাকে নানাভাবে। ‘অরণ্যের অধিকার’ উপন্যাসটি আসলে উনিশ শতকজুড়ে মুণ্ডাদের অরণ্যভূমি হারানোর ইতিহাস। শুরু আরো আগে, বিরসার ঠাকুরদার জন্মকালে। ১৮৫৫ সালে ধানী মুণ্ডা যোগ দেন সিদু-কানুর দলে মুণ্ডাদের জমি রক্ষা করতে। তার চার দশক পর বিরসা অরণ্যের অধিকার চান। সাঁওতালদের ‘হুল’ নয়, সর্দারদের ‘মুলকই লড়াই’ নয়, তিনি ডাক দেন ‘উল্গুলান’-এর, এক মহাবিপ্লবের। তার বিরুদ্ধে একযোগে দাঁড়ায় দিখুদের দল, পুলিশ এবং চার্চও। ১৯০০-তে ধরা পড়েন বিরসা এবং ফাঁসি হয় কয়েক মাস পর। কিন্তু মুণ্ডাদের অবদমিত স্বরে তত দিনে অধিকারের ধ্বনি প্রতিষ্ঠা পেয়ে গিয়েছে। তাঁদের গানে, গল্পে, নতুন উপমায় গাঁথাও হয়েছে এই ‘উল্গুলান’-এর কথা। মহাশ্বেতা দেবী এই বিকল্প ইতিহাসের মানুষজনকে খুঁজলেন উপন্যাসের মধ্য দিয়ে।



সাতদিনের সেরা