kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষগুলো অন্য রকম

নাজমুল হোসেন, রাজশাহী   

২২ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষগুলো অন্য রকম

কবিতা সব সময় জীবনের কথা বলে। বলে প্রেম ও দ্রোহের কথাও। অন্যায়ের প্রতিবাদে কবিরা উচ্চকণ্ঠ থাকেন। কবি নির্মলেন্দু গুণও তার ব্যতিক্রম নন। তাঁর কবিতায় থাকে নান্দনিকতার ছোঁয়া। থাকে স্লোগান ও স্বগতোক্তি। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭০ সালে। সময়টা ছিল পূর্ব বাংলার মানুষের কাছে ঘোরতর বৈরীকাল। পাকিস্তানিদের অত্যাচার ও নিপীড়নে এ দেশের মানুষ দিশাহারা। ঠিক এমনি সময়ে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থটি মানুষকে যুগপৎ প্রেম ও দ্রোহের চেতনায় আলোড়িত করে। ‘হুলিয়া’, ‘যুদ্ধ’, ‘অসমাপ্ত কবিতা’, ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ ও ‘মানুষ’ পড়ে পাঠক যেমন দেশপ্রেম ও মানবিকতায় উদ্বুদ্ধ হয়েছেন, তেমনি ‘চুক্তি’, ‘অসভ্য শয়ন’, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’সহ একাধিক কবিতায় প্রেমের বাতাবরণে এসেছে দ্রোহ। ‘মানুষ’ কবিতায় বঞ্চনা ও ক্ষোভে গুণের কবিকণ্ঠ উচ্চকিত হয়ে ওঠে। তিনি বলে ওঠেন—‘আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষগুলো অন্য রকম’। ‘হুলিয়া’ কবিতাকে কেন্দ্র করে তানভীর মোকাম্মেল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। সব মিলিয়ে দেশাত্মবোধের চেতনা ও দ্রোহের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে নির্মলেন্দু গুণের ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ কাব্যগ্রন্থে।



সাতদিনের সেরা