kalerkantho

বুধবার । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৮ ডিসেম্বর ২০২১। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

যে কবিতার শেষ নেই

সবুর খান, ছোটবলদিয়া, চুয়াডাঙ্গা

১৫ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



যে কবিতার শেষ নেই

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ বিখ্যাত উপন্যাস। অমিত রায়, পেশায় ব্যারিস্টার। রুচিশীল ব্যক্তিত্বের অধিকারী। অন্যদিকে লাবণ্যর সৌন্দর্য সকালবেলার মতো, তাতে অস্পষ্টতার মোহ নেই এবং সবটা বুদ্ধিতে পরিব্যাপ্ত। একদিন শিলং পাহাড়ের বাঁকে দুর্ঘটনাক্রমে অমিতের সঙ্গে পরিচয় লাবণ্যর। ঘটনাটি অমিত তার নোট বইয়ে এভাবে লিখল—‘পথ আজ হঠাৎ এ কী পাগলামি করলে। দুজনকে দুই জায়গা থেকে ছিঁড়ে এনে আজ থেকে হয়তো এক রাস্তায় চালান করে দিলে।’ এরপর পরিচয় ও প্রণয়। অমিত তার কাঙ্ক্ষিত পাত্রীকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত এবং অপেক্ষা করতে নারাজ। সুতরাং বিয়ের প্রস্তাব সে নিজেই পাড়ে লাবণ্যর মাসি যোগমায়ার কাছে। কিন্তু প্রস্তাব শুনে বলেছিলেন, ‘বাবা, বিবাহযোগ্য বয়সের সুর এখনো তোমার কথাবার্তায় লাগছে না, শেষে সমস্তটা বাল্যবিবাহ হয়ে না দাঁড়ায়।’ এর মধ্যে নানা বিপত্তি ঘটে। অমিতের সঙ্গে লাবণ্যর বিয়ে হয়েই যেত। কিন্তু কলকাতা থেকে কেটি মিত্তিরের আগমন পাল্টে দেয় চিত্র। অন্যদিকে লাবণ্যর জীবনেও আবার আবির্ভাব ঘটে শোভনলালের। রোমান্টিক মনস্তাত্ত্বিক এই উপন্যাসের শেষ কাব্যিক বিদায়ের সুরে—‘গ্রহণ যত করেছ ঋণী তত করেছ আমায়।/ হে বন্ধু, বিদায়।’



সাতদিনের সেরা