kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

অরণ্যের আহ্বানে

ফারহান ইশরাক, রংপুর সদর, রংপুর

১৬ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



অরণ্যের আহ্বানে

প্রকৃতি যেন প্রতিনিয়তই নিজস্ব ভঙ্গিতে আহ্বান করছে মানুষকে। প্রকৃতির অকৃত্রিম সেই সুরে সুর মেলাতে হলে যেতে হবে নিস্তব্ধতার কাছে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আরণ্যক’ উপন্যাসে দেখা যায়, কাজের তাগিদে এক তরুণ কলকাতার আধুনিক জীবন ছেড়ে পাড়ি জমায় বহু দূরের গহিন এক অরণ্যে। এ অরণ্যের কোনো সীমা নেই, নেই কোনো যান্ত্রিকতার গ্যাঁড়াকল। জীবনের গতি যেন শ্লথ হয়ে গেছে এখানে এসে। শুরুর দিকে অরণ্যের নির্জনতায় ক্লান্ত হয়ে গেলেও ক্রমেই তার মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা প্রকৃতিপ্রেম জেগে ওঠে। পূর্ণিমার চাঁদ, নদীর কোলে সূর্যাস্ত, বাহারি বৃক্ষের সারি, পাখির সমবেত সংগীত, পাহাড়ি টিলা, আদিগন্ত বিস্তৃত উপত্যকা যেন তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় প্রাগৈতিহাসিক সৌন্দর্যের দরবারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় যাপিত জীবনের অপ্রাসঙ্গিক অথচ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কারবার। জমি ইজারা দেওয়া, খাজনা আদায়, প্রজাদের কোন্দল আরো কত কী! কিন্তু সব ছাপিয়ে প্রবল হয়ে ওঠে বনানীর নৈকট্যে থাকার তীব্র আকুলতা। প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই যেন একেকটি অরণ্যের বাস; যে অরণ্য বারবার যেতে চায় প্রকৃতির গহিন কোণে, মিশে যেতে চায় আদিম সত্তায়।



সাতদিনের সেরা